সংবাদ শিরোনামঃ
দালাল বাজার ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে কাকে ভোট দিবেন? লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী কাজল খাঁনের গণজোয়ার লক্ষ্মীপুরের উপশহর দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পাঁচজন,কে হবেন চেয়ারম্যান ? বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ওমান সুর শাখার সহ-সাধারন সম্পাদক কামাল হোসেনের ঈদের শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক এমপি ও মন্ত্রী হতে নয় বরং মানুষের পাশে দাঁড়াতে আ.লীগ করি, সুজিত রায় নন্দী বাড়ছে ভুয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য, নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী পদক্ষেপ চাই বাড়ছে ভুয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য, নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী পদক্ষেপ চাই লক্ষ্মীপুরে বিনা তদবিরে পুলিশে চাকরি পেল ৪৪ নারী-পুরুষ দুস্থ মানবতার সেবায় এগিয়ে আসা “সমিতি ওমান ” কর্তৃক চট্টগ্রামে ইফতার সামগ্রী বিতরণ দলিল যার, জমি তার- নিশ্চিতে আইন পাস লক্ষ্মীপুরে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে পবিত্র কুমার  লক্ষ্মীপুর সংরক্ষিত আসনের মহিলা সাংসদ আশ্রাফুন নেসা পারুল রায়পুরে খেজুর রস চুরির প্রতিবাদ করায় বৃদ্ধকে মারধরের অভিযোগ লক্ষ্মীপুরে আলোচিত রীয়া ধর্ষণের বিষয়ে আদালতে মামলা তিনশ’ বছরের ঐতিহাসিক ‘খোয়াসাগর দিঘি’র নাম পরিবর্তনের কোন সুযোগ নেই, জেলা প্রশাসক’
ব্রিফকেসবন্দি ২১০ পত্রিকা বন্ধ করা হবে : তথ্যমন্ত্রী

ব্রিফকেসবন্দি ২১০ পত্রিকা বন্ধ করা হবে : তথ্যমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার
যেসব পত্রিকা ডিক্লারেশন নিয়ে প্রকাশিত হচ্ছে না, সেগুলোকে ‘ব্রিফকেসবন্দি’ পত্রিকা বলে অভিহিত করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, এরকম ২১০টি পত্রিকা বন্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার, ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে ঢাকাস্থ রাজশাহী বিভাগ সাংবাদিক সমিতির দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে গণমাধ্যমেরও বিকাশ ঘটেছে। আর গণমাধ্যমের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে কিছু ধান্দাবাজও তৈরি হচ্ছে। তারা একটি ব্রিফকেস নিয়ে বিভিন্ন দফতরে যায়। বিজ্ঞাপন ম্যানেজ করে, যখন ম্যানেজ হয় তখন সেই পত্রিকা বের করে। এর প্রভাব মূলধারার গণমাধ্যমে পড়ছে। তাই ২১০টি পত্রিকা বন্ধের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।

সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু প্রমুখ। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সংবাদপত্র সেক্টরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। অনেকেই ডিক্লারেশন নিয়ে পত্রিকা বের করেন না। তাদের জন্য মূলধারার গণমাধ্যমগুলো বিপদে পড়ছে। এ কারণে আমরা এসব পত্রিকা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানাতে চাই, তারা আমাদের এই উদ্যোগের সাথে রয়েছেন বলে। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ঢাকা শহরে এখন ছেড়া কাপড় পরা, স্যান্ডেল ছাড়া মানুষ দেখা যায় না। আকাশ থেকে ঢাকা শহরে কুঁড়েঘর দেখা যায় না। জাতিসংঘ, বিশ্বব্যাংক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ সবাই আমাদের উন্নয়নের প্রশংসা করে। শুধু মির্জা ফখরুল সাহেবদের এই উন্নয়ন চোখে পড়ে না। তাদের হেডকোয়ার্টার পাকিস্তানও আমাদের থেকে এখন সব ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে। সংবাদপত্রের মালিকদের উদ্দেশে তথ্যমন্ত্রী বলেন, করোনাকালে সব সংবাদপত্র বিপদে পড়েছিল, যার কারণে অনেকেই কর্মী ছাঁটাই করেছেন। আমি তাদের অনুরোধ করবো ছাঁটাইকৃত কর্মীদের চাকরিতে পুনর্বহাল করতে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের বিমার আওতায় আনার অনুরোধ জানাচ্ছি। এতে সাংবাদিকরা উপকৃত হবেন এবং মালিকরা তাদের কর্মীদের প্রতি দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।