সংবাদ শিরোনামঃ
লক্ষ্মীপুর পৌরসভার সড়কের পাশে আবর্জনার স্তূপ, নির্গত দুর্গন্ধ ও ধোঁয়ায় দূষিত হচ্ছে পরিবেশ লক্ষ্মীপুরে শিক্ষক- শিক্ষিকার বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দালাল বাজার ইউনিয়নে স্কুল শিক্ষক ও শিক্ষিকার অনৈতিক সম্পর্ক, শিক্ষিকার স্বামীর অভিযোগ লক্ষ্মীপুর ২ আসনের মানবিক এমপি নুরউদ্দিন আলিফ মীম হাসপাতালের শেয়ার হোল্ডারদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি জেলা বিএমএ ও স্বাচিপের সভাপতি ডা: জাকির হোসেন উপজেলা নির্বাচনে প্রচারণায় অংশ না নিতে এমপি আনোয়ার খাঁনকে চিঠি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এডভোকেট রহমত উল্যাহ বিপ্লবের কিছু কথা লক্ষ্মীপুরের কৃতিসন্তান আনোয়ারুল হক ছলেমা খাতুন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কামাল ফার্মারের  জন্মদিনে তিনি সকলের আশির্বাদ /দোয়া প্রার্থী লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদি ইউপি নির্বাচনে মীর শাহআলম চেয়ারম্যান নির্বাচিত লক্ষ্মীপুরের উপশহর দালাল বাজার ইউপি নির্বাচনে এডভোকেট নজরুল ইসলাম চেয়ারম্যান নির্বাচিত অনিয়মে চাকরিচ্যুত হবেন কর্মকর্তারা, ফেক্ট- উপজেলা পরিষদ নির্বাচন লক্ষ্মীপুরে শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ পুরস্কার নিয়ে বির্তক নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন লক্ষ্মীপুর -১ আসনের ড, আনোয়ার খান এম পির বড় ভাই আখতার খান রায়পুর উপজেলার উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে পুনরায় অধ্যক্ষ মামুনের চেয়ারম্যান হওয়া প্রয়োজন লক্ষ্মীপুর জেলায় ৮ম: বারের মতো শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হলে মোঃ এমদাদুল হক
লক্ষ্মীপুরে মেঘনার ভাঙ্গন ঠেকাতে ৩২শ’ কোটি টাকার প্রকল্পের প্রস্তাব পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

লক্ষ্মীপুরে মেঘনার ভাঙ্গন ঠেকাতে ৩২শ’ কোটি টাকার প্রকল্পের প্রস্তাব পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

ভিবি নিউজ ডেস্কঃ-লক্ষ্মীপুরে মেঘনা নদীর ভাঙ্গন থেকে  রামগতি ও কমলনগর উপজেলাকে রক্ষার্থে ৩২ শ’ কোটি টাকার প্রকল্প তৈরী করে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলে আগামী বর্ষা মৌসুমের আগেই নদী শাসন ও ভাঙ্গন রোধের কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক।

শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ সকালে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার মেঘনা নদীর ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শ করে এ কথা জানান তিনি। কমলনগরের চর ফলকন ইউনিয়নের বাঘা বাজারে আয়োজিত এক পথ সভায় প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেন, নদীন শাসন ও ভাঙন রোধে সরকারের পক্ষ থেকে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। নদী শাসনের জন্য প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এটা ব্যয়বহুল প্রকল্প। ব্লক দিয়ে বাঁধ নির্মাণ করতে হলে ছোট নদীতে প্রতি কি. মি. বাঁধে ৩০ কোটি এবং বড় নদীতে ৮০-৯০ কোটি টাকার মতো ব্যয় হবে। তড়িগড়ি করে বাঁধ দিলে যে কোন সময় আবার তা ভেঙ্গে যায়। তাই কারিগরি কমিটি পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে সিদ্ধান্ত দেয় কিভাবে বাঁধ নির্মাণ করতে হবে। ফলে একটা প্রকল্প পাশ করতে অনেক সময় লাগে।
তিনি নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকার মানুষকে আস্বস্থ করে বলেন, আপনাদের কষ্ট এবং অনুভুতি আমি বুঝি। আমি এর আগেও (১২ এপ্রিল-২০১৯) এ এলাকার পরির্দশন করে গেছি। যে সব এলাকা দেখে গেছি ওইসব এলাকা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নদী ভাঙ্গন রোধ করতে আমার আন্তরিকতার কোন ঘাটতি নাই। এ জন্য দু’ দুই বার এ এলাকায় এসেছি। নদী ভাঙন রোধ প্রকল্প পাশ হবে। আগামী বর্ষা আসার আগেই কাজ শুরু হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, অর্থনীতি দিক দিয়ে আমরা অগ্রসর হচ্ছি। বর্তমান সরকার অর্থনীতি দিক দিয়ে স্বাবলম্বী। করোনার কারণে অর্থনীতি অগ্রযাত্রা কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রচেষ্টায় আমরা এখন ঘুরে দাঁড়িয়েছি। প্রধানমন্ত্রী নদী ভাঙন রোধের প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। তিনি সব সময় প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের চেষ্টা করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনের সংসদ সদস্য ও বিকল্প ধারা মহাসচিব মেজর (অবঃ) আবদুল মান্নান বলেন, ‘নদী ভাঙার কারণে মানুষ ভিক্ষুক হয়ে যাচ্ছে। ভাঙনের কারণে এ দুই উপজেলার ৩ হাজার কোটি টাকার জমি এবং স্থাপানা বিলীন হয়ে গেছে। কিন্তু ১০ বছর আগে যদি ৩শ’ কোটি টাকা খরচ করে বাঁধ দেওয়া যেত তাহলে ভাঙন থেকে বাঁচানো যেত। নদীকে শাসন না করলে নদী তার ইচ্ছে মতো চলে। আমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, আর এক ইি মাটিও নদীতে ভাঙবে না। কিন্তু বাঁধ না তৈরী হওয়ায় দিন দিন কয়েকশ’ একর ভূমি বিলীন হয়ে যাচ্ছে। মানুষকে বাঁচাতে হবে। এ সরকার মানুষকে বাঁচাতে না পারলে আর কেউ পারবে না। নদী ভাঙন বন্ধ করতেই হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গত বছর ইমাজেন্সী ফান্ড দিয়ে ভাঙন রোধের চেষ্টা চালানো হয়। ৩৭ কি. মি উপকূলীয় এলাকার মধ্যে ৩২ কি. মি. এলাকায় বাঁধ দিলে ভাঙন ঠেকানো যাবে। এরই মধ্যে ৫ কি. মি. এলাকায় বাঁধ তৈরী হয়েছে।’
সংক্ষিপ্ত পথ সভায় উপস্থিত ছিলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহা পরিচালক মাহফুজুর রহমান, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক অঞ্জন চন্দ্র পাল, পুলিশ সুপার এএইচএম কামরুজ্জামান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবাহী প্রকৌশলী ফারুক আহমেদ, কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন, উপজেলা চেয়ারম্যান মেজবাহ উদ্দিন বাপ্পি প্রমুখ।
কমলনগরের পথসভা শেষে প্রতিমন্ত্রী রামগতি উপজেলার মেঘনা নদীর উপকূলীয় এলাকা সোনালী গ্রাম, বালুর চর, ও চর আলগী পরিদর্শন করেন। এর আগে প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্যকে বহনকারী হেলিকপ্টার সকাল ১১ টায় দিকে কমলনগরের চর ফলকন ইউনিয়ন পরিষদের মাঠে অবতরণ করে। সেখানে প্রতিমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।