সংবাদ শিরোনামঃ
লক্ষ্মীপুর পৌরসভার সড়কের পাশে আবর্জনার স্তূপ, নির্গত দুর্গন্ধ ও ধোঁয়ায় দূষিত হচ্ছে পরিবেশ লক্ষ্মীপুরে শিক্ষক- শিক্ষিকার বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দালাল বাজার ইউনিয়নে স্কুল শিক্ষক ও শিক্ষিকার অনৈতিক সম্পর্ক, শিক্ষিকার স্বামীর অভিযোগ লক্ষ্মীপুর ২ আসনের মানবিক এমপি নুরউদ্দিন আলিফ মীম হাসপাতালের শেয়ার হোল্ডারদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি জেলা বিএমএ ও স্বাচিপের সভাপতি ডা: জাকির হোসেন উপজেলা নির্বাচনে প্রচারণায় অংশ না নিতে এমপি আনোয়ার খাঁনকে চিঠি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এডভোকেট রহমত উল্যাহ বিপ্লবের কিছু কথা লক্ষ্মীপুরের কৃতিসন্তান আনোয়ারুল হক ছলেমা খাতুন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কামাল ফার্মারের  জন্মদিনে তিনি সকলের আশির্বাদ /দোয়া প্রার্থী লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদি ইউপি নির্বাচনে মীর শাহআলম চেয়ারম্যান নির্বাচিত লক্ষ্মীপুরের উপশহর দালাল বাজার ইউপি নির্বাচনে এডভোকেট নজরুল ইসলাম চেয়ারম্যান নির্বাচিত অনিয়মে চাকরিচ্যুত হবেন কর্মকর্তারা, ফেক্ট- উপজেলা পরিষদ নির্বাচন লক্ষ্মীপুরে শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ পুরস্কার নিয়ে বির্তক নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন লক্ষ্মীপুর -১ আসনের ড, আনোয়ার খান এম পির বড় ভাই আখতার খান রায়পুর উপজেলার উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে পুনরায় অধ্যক্ষ মামুনের চেয়ারম্যান হওয়া প্রয়োজন লক্ষ্মীপুর জেলায় ৮ম: বারের মতো শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হলে মোঃ এমদাদুল হক
যে সংস্কৃতি সংশোধনের মাধ্যম মানুষের চিত্তকে সমৃদ্ধ করে

যে সংস্কৃতি সংশোধনের মাধ্যম মানুষের চিত্তকে সমৃদ্ধ করে

সংস্কৃতি মানুষকে শুধু বিনোদিতই করে না, মানুষের চিত্তকে সমৃদ্ধ করে, বুদ্ধির উৎকর্ষ ঘটায়। তাই সংস্কৃতির মাধ্যমে মানুষকে যেমন আনন্দ দেয়া যায় তেমনই আবার সমাজের অসংগতি তুলে ধরে তার সংশোধনের পথ বাতলে দিতেও সংস্কৃতির জুড়ি নেই।

পার্শ্ববর্তী দেশের সিনেমাগুলোতে সে দেশের পরিচালকেরা সমাজের অসংগতি, ভুলত্রুটির পাশাপাশি রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের তথা রাষ্ট্রের হর্তাকর্তাদের অন্যায়-অপকর্মকে অবলীলায় ফুটিয়ে তোলেন। আর সেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হওয়া মানুষটাকে তারা নায়কের ভূমিকায় রূপ দেয়। শুধু তাই নয়, অন্যায়কারী-দুর্নীতিবাজ সে যত বড়ই হোক না কেন, টাকাওয়ালা কিংবা এমপি-মন্ত্রীর কুকর্মের সাজা দিতেও বিন্দুমাত্র কুণ্ঠিত হয় না সমাজের ন্যায়পরায়ণ মানুষগুলো। তাতে অন্যায়কারীর দৌরাত্ম্য কমে, অন্যায়ের প্রতিবাদকারীর সাহস যোগায়। তাদের বেশিরভাগ ছবিই শিক্ষামূলক। তারা তাদের সিনেমাতে নির্বাচনের ঘাপলাও নির্দ্বিধায় তুলে ধরে তা প্রতিকারের পথ দেখিয়ে দেয়। আবার পুলিশ প্রশাসনের অপকর্ম-দুর্নীতির যথাযথ শাস্তির নিধানও বাতলে দেয়। এমন সব সিনেমা দেখলে মানুষের মধ্যে সংশোধনের চেতনা ফিরতে পারে। কিংবা কিছুটা ভীতির উদ্রেক হতে পারে। এভাবে সমাজে সংশোধন আসতে পারে। কিন্তু আমাদের সেন্সর বোর্ডে এমন কোনো সিনেমা অনুমোদন পাওয়ার নিয়ম নেই। অপরদিকে তাদের অপসংস্কৃতি আমাদের দেশের দর্শক-শ্রতার মনে এমনভাবে জায়গা করে নিয়েছে তাতে কারো ভাঙছে ঘর। কেউ হচ্ছে ছন্নছাড়া।

পুনশ্চ : যে সংস্কৃতি সমাজের এবং মানুষের ভুল কিংবা অন্যায়কে সংশোধনে উদ্বুদ্ধ করে তেমন পরিচ্ছন্ন সংস্কৃতিতে বাধা থাকা উচিত নয়। আনন্দ-বিনোদনের মাধ্যমে সমাজের অন্যায়কে তুলে ধরে তার সংশোধনে সরকারকে উৎসাহী হওয়া প্রয়োজন।