সংবাদ শিরোনামঃ
উপজেলা নির্বাচনে প্রচারণায় অংশ না নিতে এমপি আনোয়ার খাঁনকে চিঠি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এডভোকেট রহমত উল্যাহ বিপ্লবের কিছু কথা লক্ষ্মীপুরের কৃতিসন্তান আনোয়ারুল হক ছলেমা খাতুন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কামাল ফার্মারের  জন্মদিনে তিনি সকলের আশির্বাদ /দোয়া প্রার্থী লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদি ইউপি নির্বাচনে মীর শাহআলম চেয়ারম্যান নির্বাচিত লক্ষ্মীপুরের উপশহর দালাল বাজার ইউপি নির্বাচনে এডভোকেট নজরুল ইসলাম চেয়ারম্যান নির্বাচিত অনিয়মে চাকরিচ্যুত হবেন কর্মকর্তারা, ফেক্ট- উপজেলা পরিষদ নির্বাচন লক্ষ্মীপুরে শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ পুরস্কার নিয়ে বির্তক নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন লক্ষ্মীপুর -১ আসনের ড, আনোয়ার খান এম পির বড় ভাই আখতার খান রায়পুর উপজেলার উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে পুনরায় অধ্যক্ষ মামুনের চেয়ারম্যান হওয়া প্রয়োজন লক্ষ্মীপুর জেলায় ৮ম: বারের মতো শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হলে মোঃ এমদাদুল হক দালাল বাজার ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে কাকে ভোট দিবেন? লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী কাজল খাঁনের গণজোয়ার লক্ষ্মীপুরের উপশহর দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পাঁচজন,কে হবেন চেয়ারম্যান ? বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ওমান সুর শাখার সহ-সাধারন সম্পাদক কামাল হোসেনের ঈদের শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক এমপি ও মন্ত্রী হতে নয় বরং মানুষের পাশে দাঁড়াতে আ.লীগ করি, সুজিত রায় নন্দী
লক্ষ্মীপুরে হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে গণ অনশন গণ অবস্থান ও বিক্ষোভ মিছিল

লক্ষ্মীপুরে হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে গণ অনশন গণ অবস্থান ও বিক্ষোভ মিছিল

 

ভিবি নিউজ ডেস্ক:
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের আহ্বানে সকল জেলা উপজেলায় এবং ১৫০টি দেশে একযোগে গণঅনশন, গণ অবস্থান বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

শারদীয় দূর্গোৎসবের সময় ধর্মান্ধ সাম্প্রদায়িক অপশক্তি বাংলাদেশকে হিন্দুশুন্য করার পূর্ব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার জন্য দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক হামলা, খুন ধর্ষন, অগ্নি সংযোগ, লুটপাটের মতো জঘন্য ঘটনা ঘটায়।

সংগঠনের থেকে দাবী উত্থাপন করা হয়, ২লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময় এবং ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তে লেখা ৭২ সংবিধানে ফিরে যেতে হবে।
সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রেখে অবিলম্বে সংখ্যা লঘু সুরক্ষা আইন পাশ করে দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালে বিচার করতে হবে।
সংখ্যালঘু মন্ত্রনালয় গঠন ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য আলাদা ফাউন্ডেশন গঠন করতে হবে।

অতীতে ঘটে যাওয়া সকল ঘটনার সঠিক তদন্ত ক্রমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচার নিস্পত্তি করতে হবে।

হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাষ্টের সকলস্তরে শুধুমাত্র হিন্দু ধর্মীয় জনবল নিয়োগ দিতে হবে।

হিন্দুদের মঠ মন্দিরের বেদখলকৃত সম্পত্তি অনতিবিলম্বে ফেরৎ দিতে হবে।
ধর্মীয় উষ্কানি মুলক বক্তব্য সকল স্তরে বন্ধ করতে হবে। উষ্কানিদাতাদের ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে বিচার করতে হবে।
দেবোত্তর সম্পত্তি আইন পাশ করতে হবে এবং দেবোত্তর বোর্ড গঠন করতে হবে।

৭১ সনের জনসংখানুপাতে সরকারের সকলস্তরে, রাজনৈতিক দলের সকল কমিটিতে নিয়োগ ও পদায়ন করতে হবে।