সংবাদ শিরোনামঃ
লক্ষ্মীপুর জেলায় ৮ম: বারের মতো শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হলে মোঃ এমদাদুল হক দালাল বাজার ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে কাকে ভোট দিবেন? লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী কাজল খাঁনের গণজোয়ার লক্ষ্মীপুরের উপশহর দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পাঁচজন,কে হবেন চেয়ারম্যান ? বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ওমান সুর শাখার সহ-সাধারন সম্পাদক কামাল হোসেনের ঈদের শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক এমপি ও মন্ত্রী হতে নয় বরং মানুষের পাশে দাঁড়াতে আ.লীগ করি, সুজিত রায় নন্দী বাড়ছে ভুয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য, নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী পদক্ষেপ চাই বাড়ছে ভুয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য, নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী পদক্ষেপ চাই লক্ষ্মীপুরে বিনা তদবিরে পুলিশে চাকরি পেল ৪৪ নারী-পুরুষ দুস্থ মানবতার সেবায় এগিয়ে আসা “সমিতি ওমান ” কর্তৃক চট্টগ্রামে ইফতার সামগ্রী বিতরণ দলিল যার, জমি তার- নিশ্চিতে আইন পাস লক্ষ্মীপুরে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে পবিত্র কুমার  লক্ষ্মীপুর সংরক্ষিত আসনের মহিলা সাংসদ আশ্রাফুন নেসা পারুল রায়পুরে খেজুর রস চুরির প্রতিবাদ করায় বৃদ্ধকে মারধরের অভিযোগ লক্ষ্মীপুরে আলোচিত রীয়া ধর্ষণের বিষয়ে আদালতে মামলা
লক্ষ্মীপুরে মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভূঁইয়া মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার ২০ মাসের কিছু কথা

লক্ষ্মীপুরে মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভূঁইয়া মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার ২০ মাসের কিছু কথা

লক্ষ্মীপুরে মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভূঁইয়া মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার ২০ মাসের কিছু কথা
ভিবি নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্মীপুর পৌর মেয়র মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভূঁইয়া বলেন,
যখন দায়িত্ব নিয়েছি, তখন লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ২৭ কোটি টাকার অধিক পৌরসভার ঋন এবং পৌরসভা স্টাফদের ১১ মাসের ৮ কোটি টাকা বেতন বকেয়া ছিলো।
শুধুমাত্র বিদ্যুৎ বিল বকেয়া ছিলো ৪ কোটি টাকা।

মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নতুন বিধায় প্রথমত ঋন নিয়ে চলতে হিমশিম খেয়ে যাই। সেখান থেকে যতটুকু সম্ভব ওভারকাম করার চেষ্টা করেছি, তারপর উন্নয়নের কথায় আসি আপনারা জানেন শেষ ৭/৮ বছরের মধ্যে পৌরসভার কোন রাস্তার সংস্করণ হয়নি। যেহুতু বিগত এতগুলো বছর কোনো রাস্তা সংস্করণ হয়নি সেহুতু বলা যায় ৮০-৯০ ভাগ রাস্তার বেহাল দশা।
সেখান থেকে ১ বছর ৮ মাসে সব গুলো রাস্তা তো আর নতুন করণ কারো পক্ষেই সম্ভব নয়!!

এই ১ বছর ৮ মাসে পৌরসভার মেয়র হিসেবে যতটুকু সম্ভব হয়েছে করার চেষ্টা করেছি, তার মধ্যে অনেক কাজ চলমান ও প্রক্রিয়াধীন।

কোভিড রিকোভারি প্রজেক্ট- ৭ নং ওয়ার্ড, হসপিটাল রোডের ৪১০ মিটার ড্রেন ও রাস্তার মেরামত সহ ১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা ব্যায়ে কাজ চলমান।

কভিড রিকভারি প্রজেক্ট- ৬ং ওয়ার্ড, শিল্পি কলোনি, সোনালী কলোনি ও দলিল উদ্দিন সড়কে ৭৮০ মিটার ড্রেন ও প্রায় ১ কি.মি রাস্তা সংস্করণ চলমান।

Covid Recovery প্রজেক্টের আরো দুটি কাজ আগামী ০৩ মাসের মধ্যে কাজের মধ্যে পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ড মিয়াবাড়ি রোডের ২ কোটি টাকা ব্যায়ে কাজ চলমান হবে।

Covid Recovery প্রকল্পের ৭ নং ওয়ার্ডে শেখ রাসেল সড়কে ৮০০ মিটার রাস্তা ও ড্রেন ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মান কাজ ডিসেম্বর মাস থেকে শুরু হবে।

Covid Recovery প্রকল্পের আওতায় ল ইয়ার্স কলোনির রাস্তা ও ড্রেন ডিসেম্বর থেকে কাজ শুরু হবে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে।

লক্ষ্মীপুর মাছ ও সবজি বাজার আধুনিক করণ হিসেবে বাজারের কিচেন মার্কেটের কাজ চলমান, যাহার ব্যয় এক কোটি ২০ লক্ষ টাকা।

লক্ষ্মীপুর ১০ নং ওয়ার্ডে পানির টাংকির জন্য ৫০ শতাংশ জমি নেওয়া হয়েছে এবং পানির টাংকির জন্য প্রজেক্ট প্রস্তাবনায় কাজ শেষের পর্যায়ে।

টেন টাউন প্রকল্পের জন্য ১ একর জমি পৌরসভার নিজস্ব অর্থায়নে ক্রয় করে উক্ত প্রকল্প ৫০ কোটি টাকার টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন।

লক্ষ্মীপুর পৌরবাসি একসময় পানির লাইনে প্রতি মাসে বিল-ই দিত পানি পেত না, সেখান থেকে পানি সরবারাহের জন্য ২.৫ কোটি টাকা ব্যয়ে পৌরবাসির পানির সমস্যা অনেকাংশে সমাধান হয়েছে।

এছাড়া RUTDP প্রজেক্টের আওতায় পৌর ১০ নং ওয়ার্ডে ডিবি রোড, দিশারি টু মুক্তিগঞ্জ, মোটকা মসজিদ টু পলিটেকনিক পযন্ত ৪ কি.মি রাস্তা ও ৪ কি.মি ড্রেন ১০ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মান আগামী দুই মাসের মধ্যে সকল প্রক্রিয়া শেষ করে কাজ শুরু করবে। সেটি হলে ১০ নং ওয়ার্ডের রাস্তা ও বৃষ্টির পানির জলাবদ্ধতা নিরসন হবে।

UGIIP -III প্রকল্পের আওতায় স্লাম উন্নয়ন কাজ
২নং ওয়ার্ডের বিরা গাজী সর্দার বাড়ি
৬নং ওয়ার্ডের চুন্নী ব্যাপারী বাড়ি
১৩ নং ওয়ার্ডের পাঠান বাড়ি কাজ,
মোট= ১ কোটি ৩০ লাখ টাকার কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

কভিড রিকভারি প্রকল্পে পৌর ০৪ নং ওয়ার্ডে মালগাজী রোড থেকে জনকল্যান স্কুল রাস্তা ও ড্রেন প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মান হবে আগামী ডিসেম্বরে।

পৌরসভার নিজস্ব অর্থায়নে ও এডিপি বরাদ্দে পৌরসভার ১৫ টা ওয়ার্ডে বাড়ি এবং মসজিদের রাস্তার নির্মান হয়েছে ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে।

RUTDP প্রকল্পে লক্ষ্মীপুর পৌরসভায় আরো ১৫ টি রাস্তা এবং আরো কিছু প্রকল্প যেগুলো ৫ বছরে বাস্তবায়ন হবে ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে।

লক্ষ্মীপুর পৌরসভার নিজস্ব ভবন বিগত মেয়রের আমলে যেটি একপ্রকার বিক্রি করে ফেলছে সেটি ভবন নির্মানের জন্য জমি নির্ধারণ ও ক্রয় প্রক্রিয়া চলমান।

বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলের বৃহত্তম জাতির পিতার মুরাল স্থাপন ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মান করেছি, লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ মাঠে।

পৌরসভার কর্মচারীদের ১১ মাসের বকেয়া বেতন প্রায় ৮ কোটি টাকা ও বিদ্যুৎ বিল বকেয়া ৪ কোটি টাকা পরিশোধ করেছি।

এত গুলো কাজ নির্মান বাস্তবায়ন, চলমান ও প্রক্রিয়াধীন আছে কিন্তু ১ বছর ৮ মাসের মধ্যে বিগত এতো অচলায়তন ও দুর্নিতির অবস্থা এতো তাড়াতাড়ি ঢেলে সাজানোটা সহজ নয়।
আমাদের পৌরসভা ১৫ টা ওয়ার্ড অনেক বড় পৌরসভা এখানে প্রায় সকল ওয়ার্ডেই রাস্তাঘাট নাই আস্তে আস্তে সকল ওয়ার্ডে উন্নয়ন হবে ,সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানাচ্ছি, এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উপর আস্থা রাখার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।

সম্পদ সীমিত সময় কম তবুও সকলের সহযোগিতায় আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি।
সকলের সহযোগিতায় একটি সুন্দর আধুনিক শহর গড়ে তুলবো ইনশাল্লাহ।

তিনি পরিশেষে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।