সংবাদ শিরোনামঃ
দালাল বাজার ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে কাকে ভোট দিবেন? লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী কাজল খাঁনের গণজোয়ার লক্ষ্মীপুরের উপশহর দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পাঁচজন,কে হবেন চেয়ারম্যান ? বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ওমান সুর শাখার সহ-সাধারন সম্পাদক কামাল হোসেনের ঈদের শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক এমপি ও মন্ত্রী হতে নয় বরং মানুষের পাশে দাঁড়াতে আ.লীগ করি, সুজিত রায় নন্দী বাড়ছে ভুয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য, নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী পদক্ষেপ চাই বাড়ছে ভুয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য, নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী পদক্ষেপ চাই লক্ষ্মীপুরে বিনা তদবিরে পুলিশে চাকরি পেল ৪৪ নারী-পুরুষ দুস্থ মানবতার সেবায় এগিয়ে আসা “সমিতি ওমান ” কর্তৃক চট্টগ্রামে ইফতার সামগ্রী বিতরণ দলিল যার, জমি তার- নিশ্চিতে আইন পাস লক্ষ্মীপুরে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে পবিত্র কুমার  লক্ষ্মীপুর সংরক্ষিত আসনের মহিলা সাংসদ আশ্রাফুন নেসা পারুল রায়পুরে খেজুর রস চুরির প্রতিবাদ করায় বৃদ্ধকে মারধরের অভিযোগ লক্ষ্মীপুরে আলোচিত রীয়া ধর্ষণের বিষয়ে আদালতে মামলা তিনশ’ বছরের ঐতিহাসিক ‘খোয়াসাগর দিঘি’র নাম পরিবর্তনের কোন সুযোগ নেই, জেলা প্রশাসক’
লক্ষ্মীপুরের কৃতিসন্তান বোস প্রফেসর ডঃ আবদুল মতিন চৌধুরী

লক্ষ্মীপুরের কৃতিসন্তান বোস প্রফেসর ডঃ আবদুল মতিন চৌধুরী

ভিবি নিউজ ডেস্কঃ- লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মহাদেবপুর চৌধুরী বাড়ির ডঃ আবদুল মতিন চৌধুরী ১৯২১ সালে জন্মগ্রহন করেন।তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পদার্থবিজ্ঞানী বোস প্রফেসর নোবেল পুরষ্কার কমিটির সদস্য।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠজন হিসাবে পাকিস্তান সময় থেকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও শুভাকাঙ্ক্ষী জাতীয়তাবাদী চিন্তাচেতনায় থাকায় স্বাধীনতা মুক্তিযুদ্ধের পাকিস্তানী সরকারের বিরাগভাজন হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইকবাল হলে প্রভোস্টের পথ থেকে অসম্মানজনক ভাবে অব্যাহতি দিয়ে পাকিস্তান এ্যটমিক এ্যানার্জি কমিশনে নিয়োজিত করা হয়। তখন বঙ্গবন্ধু উনাকে ফোন করে বলেছিলেন, আমি পুনরায় আপনাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্মানজনক ভাবে ফিরিয়ে আনবো।” দেশ স্বাধীন হওয়ার পূর্বে তিনি পাকিস্তান এ্যাটোমিক এনার্জি কমিশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং প্রধান বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা পদে নিয়োজিত ছিলেন।স্বাধীনতার পরবর্তী সময়েও বঙ্গবন্ধু হত্যার পর যথেষ্ট নিগ্রহ দুঃখ যন্ত্রণা সহ্য করেন। ডঃ আবদুল মতিন চৌধুরীকে দার্শনিক পন্ডিত ব্যক্তিগন খাঁটি বাঙ্গালী এবং উনার রাজনৈতিক সাহসকে প্রসংশনীয় বলে স্মরন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য এর পদে থাকার সময়ে বঙ্গবন্ধু হত্যার নিন্দা এবং বিচার দাবী করেছিলেন।ডঃ চৌধুরীর স্মারকগ্রন্থে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ডঃ আবদুল মতিন চৌধুরীর প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা প্রকাশ করে বলেন ডঃ আবদুল মতিন চৌধুরীর নিকট থেকে পিতৃহারা পিতার পরশ অনুভব এবং দ্বিতীয়বারের মতো “আমার পিতাকে হারাবার শোক অনুভব করছি”।ডঃ ওয়াজেদ আলী, জননেত্রী শেখ হাসিনা ডঃ আবদুল মতিন চৌধুরীর ছাত্র এবং বঙ্গবন্ধুর ছোট ছেলে শেখ রাশেলও ডঃ আবদুল মতিন চৌধুরীর সহধর্মিণী রাজিয়া মতিন চৌধুরীর ছাত্র ছিলেন।

(বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদের লিখিত মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতিকথা থেকে সংগৃহীত)