সংবাদ শিরোনামঃ
লক্ষ্মীপুরে নবাগত পুলিশ সুপার কে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী স্বরণে মেহেদী হাসান রাসেলের কুরআন ও হাদিসের আলোকে উপস্থাপন  লক্ষ্মীপুরে নতুন পুলিশ সুপার আকতার হোসেন লক্ষ্মীপুরে যুবদল নেতা ইকবালের নেতৃত্বে সৌদি প্রবাসীর জমি দখল করে দেওয়ার অভিযোগ জনগনের সুস্বাস্থ্যের জন্য চাই নিরাপদ খাদ্য রায়পুরে  সন্ত্রাসী তান্ডব চালিয়ে লুটপাট ও মাছ ঘাট দখলের অভিযোগ লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উপশহর দালাল বাজার ইউনিয়ন বিএনপির মাধ্যমে পানিবন্ধীদের ত্রান বিতরন পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মাঠকর্মীদের নিয়োগবিধি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন “ লক্ষ্মীপুরে কলেজ অধ্যক্ষের অপসারণ চেয়ে শিক্ষক- কর্মচারীদের বিক্ষোভ বাংলাদেশের মুমূর্ষু শিশু শুভমকে নতুন জীবন দিয়েছেন ভারতের ডাঃ সঞ্জীব দেববর্মণ কোটা আন্দোলনে মৃত্যুর সংখ্যা সম্পর্কে এখন পর্যন্ত যা জানা যাচ্ছে লক্ষ্মীপুরে সরকারি ঔষধ ফার্মেসিতে! এযেন সর্ষের মধ্যে “ভুত “ লক্ষ্মীপুরে কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত অবশেষে লক্ষ্মীপুরে বাল্য বিবাহ রোধে অগ্রনী ভূমিকা রাখলেন জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জোবায়েদা খানম শিমুল সাহা, বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচিত
লক্ষ্মীপুরের কৃতিসন্তান বোস প্রফেসর ডঃ আবদুল মতিন চৌধুরী

লক্ষ্মীপুরের কৃতিসন্তান বোস প্রফেসর ডঃ আবদুল মতিন চৌধুরী

ভিবি নিউজ ডেস্কঃ- লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মহাদেবপুর চৌধুরী বাড়ির ডঃ আবদুল মতিন চৌধুরী ১৯২১ সালে জন্মগ্রহন করেন।তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পদার্থবিজ্ঞানী বোস প্রফেসর নোবেল পুরষ্কার কমিটির সদস্য।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠজন হিসাবে পাকিস্তান সময় থেকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও শুভাকাঙ্ক্ষী জাতীয়তাবাদী চিন্তাচেতনায় থাকায় স্বাধীনতা মুক্তিযুদ্ধের পাকিস্তানী সরকারের বিরাগভাজন হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইকবাল হলে প্রভোস্টের পথ থেকে অসম্মানজনক ভাবে অব্যাহতি দিয়ে পাকিস্তান এ্যটমিক এ্যানার্জি কমিশনে নিয়োজিত করা হয়। তখন বঙ্গবন্ধু উনাকে ফোন করে বলেছিলেন, আমি পুনরায় আপনাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্মানজনক ভাবে ফিরিয়ে আনবো।” দেশ স্বাধীন হওয়ার পূর্বে তিনি পাকিস্তান এ্যাটোমিক এনার্জি কমিশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং প্রধান বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা পদে নিয়োজিত ছিলেন।স্বাধীনতার পরবর্তী সময়েও বঙ্গবন্ধু হত্যার পর যথেষ্ট নিগ্রহ দুঃখ যন্ত্রণা সহ্য করেন। ডঃ আবদুল মতিন চৌধুরীকে দার্শনিক পন্ডিত ব্যক্তিগন খাঁটি বাঙ্গালী এবং উনার রাজনৈতিক সাহসকে প্রসংশনীয় বলে স্মরন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য এর পদে থাকার সময়ে বঙ্গবন্ধু হত্যার নিন্দা এবং বিচার দাবী করেছিলেন।ডঃ চৌধুরীর স্মারকগ্রন্থে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ডঃ আবদুল মতিন চৌধুরীর প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা প্রকাশ করে বলেন ডঃ আবদুল মতিন চৌধুরীর নিকট থেকে পিতৃহারা পিতার পরশ অনুভব এবং দ্বিতীয়বারের মতো “আমার পিতাকে হারাবার শোক অনুভব করছি”।ডঃ ওয়াজেদ আলী, জননেত্রী শেখ হাসিনা ডঃ আবদুল মতিন চৌধুরীর ছাত্র এবং বঙ্গবন্ধুর ছোট ছেলে শেখ রাশেলও ডঃ আবদুল মতিন চৌধুরীর সহধর্মিণী রাজিয়া মতিন চৌধুরীর ছাত্র ছিলেন।

(বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদের লিখিত মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতিকথা থেকে সংগৃহীত)