সংবাদ শিরোনামঃ
আলিফ মীম হাসপাতালের শেয়ার হোল্ডারদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি জেলা বিএমএ ও স্বাচিপের সভাপতি ডা: জাকির হোসেন উপজেলা নির্বাচনে প্রচারণায় অংশ না নিতে এমপি আনোয়ার খাঁনকে চিঠি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এডভোকেট রহমত উল্যাহ বিপ্লবের কিছু কথা লক্ষ্মীপুরের কৃতিসন্তান আনোয়ারুল হক ছলেমা খাতুন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কামাল ফার্মারের  জন্মদিনে তিনি সকলের আশির্বাদ /দোয়া প্রার্থী লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদি ইউপি নির্বাচনে মীর শাহআলম চেয়ারম্যান নির্বাচিত লক্ষ্মীপুরের উপশহর দালাল বাজার ইউপি নির্বাচনে এডভোকেট নজরুল ইসলাম চেয়ারম্যান নির্বাচিত অনিয়মে চাকরিচ্যুত হবেন কর্মকর্তারা, ফেক্ট- উপজেলা পরিষদ নির্বাচন লক্ষ্মীপুরে শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ পুরস্কার নিয়ে বির্তক নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন লক্ষ্মীপুর -১ আসনের ড, আনোয়ার খান এম পির বড় ভাই আখতার খান রায়পুর উপজেলার উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে পুনরায় অধ্যক্ষ মামুনের চেয়ারম্যান হওয়া প্রয়োজন লক্ষ্মীপুর জেলায় ৮ম: বারের মতো শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হলে মোঃ এমদাদুল হক দালাল বাজার ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে কাকে ভোট দিবেন? লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী কাজল খাঁনের গণজোয়ার লক্ষ্মীপুরের উপশহর দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পাঁচজন,কে হবেন চেয়ারম্যান ? বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ওমান সুর শাখার সহ-সাধারন সম্পাদক কামাল হোসেনের ঈদের শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক
লক্ষ্মীপুরের ঐতিহাসিক কামান খোলা জমিদার বাড়ী এবং বংশধরদের অতিত ও বর্তমান অবস্থান বিষয়ক প্রতিবেদন

লক্ষ্মীপুরের ঐতিহাসিক কামান খোলা জমিদার বাড়ী এবং বংশধরদের অতিত ও বর্তমান অবস্থান বিষয়ক প্রতিবেদন

লক্ষ্মীপুর থেকে ভি. বি. রায়: লক্ষ্মীপুর জেলার উপশহর দালাল বাজারের পশ্চিম লক্ষ্মীপুর গ্রামের কামান খোলাস্থ ঐতিহ্যবাহী জমিদার বাড়ী, যাহা অযত্ন আর অবহেলায় ধ্বংসের পথে। বিশাল এই জমিদার বাড়িটির প্রয়োজনীয় সংস্কার ও সংরক্ষনের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে জমিদার বাড়ীর অতীত ঐতিহ্য ও গৌরব। জানা যায় লক্ষ্মীপুর জেলা শহর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে পশ্চিম লক্ষ্মীপুর গ্রামের কামান খোলা দালাল বাজার ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের অবস্থিত হরেন্দ্র বাবুর জমিদার বাড়ী। ইংরেজ শাসনামলে জমিদারদের গোড়া পতন হলেও সংস্কারের অভাবে তাঁদের ক্রম বংশ পরিচিতি কোথাও উল্লেখ নেই। তৎসময়ে নির্মিত পুরো কৃতি, মন্দির, ঐতিহ্য বাহী বাড়ীর অন্দর মহলের সৌন্দর্য, পুকুর ঘাট, জলটঙ্গি, শানবাধানো দিঘির ঘাট, শান বাধানো জলার ঘাট, পোষ্য হাতির হাড়, হাতি বাধা শিকল, ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে আজো দাড়িয়ে আছে সেই স্মৃতি।

৩৮ একর ৬৭ডিং সম্পত্তি নিয়ে বিশাল এলাকা জুড়ে জমিদার বাড়ী-যাহা দেবওর সম্পত্তি হয়।

১ ঐতিহ্যবাহী দিঘী:

২। জমিদার ক্ষেত্র নাথ বাবুর সমাধী ক্ষেত্র মঠ।
ত। লক্ষ্মীনারায়ন দেববিগ্রহ মন্দির।

৪। জমিদারদের অন্দর মহল যেখানে জমিদার বাবুরা রাত্রি যাপন করতেন।

৫ আন্ধার মানিক
৬, হাতির হাড়,
© শান বাধানো জলার ঘাট –

১. ঐতিহ্যবাহী দিঘী : পাঁচ একর সম্পত্তি নিয়ে এ দিঘীর অবস্থান। চাঁদপুর থেকে নৌকায় চড়ে এদিঘীতে সরাসরি এসে নামতো জমিদার বাবুরা। আবার এই দিঘীর দক্ষিণ ও পশ্চিম কর্নারে ছিল বাবুদের প্রতিষ্ঠিত হাট-যাহা বাবুর বাজার নামে পরিচিত ছিল। এখন সম্পূর্নই বিলুপ্ত। দীঘির দক্ষিণ পাড়ে বসতো দূর্গা পূজার সময় যাত্রা পালা ।

বাবু গোপেন্দ্র নারায়ন রায় চৌধুরী যাত্রা ভালো বাসতো। এই দিঘীতে শান বাধানো ঘাটলা থাকায় বহু দুর দুরান্ত থেকে মানুষ

জন নৌকা করে এসে এই ঘাটলায় উঠতো। বহু বহু লোক এই শান বাধানো ঘাটলা দিয়ে নেমে দিঘীতে সাতার কাটতো। বর্তমানে দীঘির দক্ষিণ পাড়দিয়ে স্থানিয় লোকজন গোসল করার কারণে ভেঙ্গে যায়, যার কারণে পাড় ভেঙ্গে আরো প্রসস্থ ধারণ করেছে।

২। মঠবাড়ী
“””””””””””””””””

প্রায় তিনশত বৎসর পূর্বে জমিদার ক্ষেত্রনাথ বাবুর প্রপিতামহের সমাধী ক্ষেত্রের মঠ। ভাস্কর বসু রায় চৌধুরী আক্ষেপের সরে বলেন, এই মঠের শির্ষে ছিল কলস, কলসের মুখে বসানো ছিল ঘটি, কলস ও ঘটির মাঝে খান দিয়ে বসানো ছিল বাজ প্রতিবোধক ম্যাগনেট দন্ড, যে দন্তটি গত ২৪/০২/২০১২ ইং তারিখে রাতের অন্ধকারে ভেঙ্গে চুরি করে নিয়ে যায়। এই বিষয়ে লক্ষ্মীপুর সদর থানায় মামলা করা হয়। যাহার নং ৬০/১২ ধারা ৩৭৯। এই ব্যাপারে কোন সন্তোষ জনক পদক্ষেপ নেন নি তৎকালিন থানা কর্তৃপক্ষ।

এই সমাধী ক্ষেত্রের মঠের সংগে আরো একটি সমাধী মঠ তৈরি হয় যেখানে ১৯৯৬ ইং সালের ২রা নভেম্বর তারিখে কিংবদন্তীর পুরোধা বাবু গোপেন্দ্র নারায়ন রায় চৌধুরী, যিনি বাঘে-মহিষে এক ঘাটে জল খাইয়েছেন, তাঁরই সমাধি মন্দির।

জমিদার বাড়ীর প্রবেশের প্রধান ফটকেই রয়েছে শ্রীশ্রী লক্ষ্মী নারায়ন দেববিগ্রহ মন্দির। এই মন্দিরে লক্ষ্মীনারায়ণ দেববিগ্রহ স্থাপিত হয়। এই খানে বার মাসে তের পারন অনুষ্ঠিত হয়। যেমন- দূর্গাপূজা, কালীপূজা, লক্ষ্মীপুজো, দোলপূজা, রাম পূজা, স্বরসতি পূজা সহ ছোট বড় সকল পূজার আয়োজন করাটাই মন্দির সহ অত্র এলাকায় সংগঠিত হয়। আসে পাশের বহু দুর দুরান্ত থেকে অর্চনাকারিরা সেবা পূজা করার জন্য আসেন বলে জানান মন্দিরের পুরোহিত বিপ্লব চক্রবর্তী। এই মন্দির থেকে ১৯৯০ ইং সালে রাতের অন্ধকারে কে বা কাহারা ৮টি অষ্ট ধাতুর মূর্তি নিয়ে যায় এই ব্যাপারে তৎসময়ে থানায় ডায়রী ও করা হয়। কিন্তু তেমন কিছু উন্নত পদক্ষেপ নিতে ব্যার্থ হয় তৎকালিক থানা কতৃপক্ষ। সম্প্রতি দুর্গাপূজা চলা কালিন সময়ে। একই ভাবে কে বা কাহারা (দিন অথবা রাত্রের সে কোন সময়ে) শালগ্রাম বিগ্রহটি চুরি করিয়া নিয়াযায় এই ব্যাপারে লক্ষ্মীপুর থানায় একটি মামলা হয় যাহার নং ১২ এবং ৭/১০/২০১৪ নং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন এস আই নির্মল চাকমা।

জমিদারদের অন্দর মহলঃ

জমিদার ক্ষেত্র নাথ বাবুর আমলে নির্মিত এই দ্বিতল ভবন, প্রায় ২৫০ বৎসরের পুরোনো এই বাড়ীটির রং আস্তর এখনো জ্যান্ত। কয়েক স্থানে শ্যাওলা, পরজীবি বৃহৎ ঠাই করে নিলেও সুরম্য প্রাসাদ এখনো বহাল তবিয়েতে স্বগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে, ভবনের উত্তর পাশ দিয়ে ছাদে ওঠার সিঁড়ি। দোতলার সিঁড়ির মুখে রয়েছে নিরাপত্তার জন্য লোহার গেইট যাহা এখনো বিদ্যমান।

জমিদার দের গুপ্তধন রাখার জন্য নিজেদের থাকার মূল ভবনের নিচে সুরক্ষিত আন্ধার মানিক, বর্তমানে আন্ধার মানিকে কেহই প্রবেশ করে না অভিশপ্ত কামরা বলে।

আন্ধার মানিক!

জমিদারের প্রথা বিলুপ্ত হওয়ার পরও তাদের জীবিত বংশধরদের কেউ এ আন্ধার মানিকে প্রবেশ করেনি। তারা বিশ্বাস করে বর্তমানে এই কক্ষে বিষাক্ত বিচ্ছু রয়েছে। এমনকি প্রান হানি কর এক ধরনের গ্যাসও রয়েছে। সেজন্য ভয়ে কেউ আন্ধার মানিকে প্রবেশ করার সাহস করে না।

হাতির হাড়ঃ
“””””””””””””””””
বর্তমানে জমিদার দের ঘোড়াশালায় ঘোড়া, হাতিশালায় হাতি না থাকলেও তৎসময়ে পোষ্য হাতির হাড় এখনো রক্ষিত আছে। হাতিকে বেঁধে রাখার জন্য লোহার শিকল এখনো দৃশ্যমান। বয়োবৃদ্ধ ও অসুস্থ হয়ে বাংলা ১৩৬৫ সালে হাতি মারা গেলেও অদ্য পর্যন্ত হাতির হাঁড় জমিদার ভবনের দোতালায় সুরক্ষিত আছে।
শান বাধানো জলার ঘাট:
“”””””””””””””””””””””””””””””””””””

এই ঘটিলায় জমিদার বাবুরা দক্ষিণের হাওয়া খাওয়ার জন্য বিকালে ঘাটলায় বসতো। দুই ধারে ফুলের বাগান

ছিল যেখানে বর্তমানে সুপারী বাগান ও মুরগীর খামার। এই ঘাটলায় সাধারণ পাবলীকের জন্য বিধি নিশেধ ছিলো। বর্তমানে সাধারণ পাবলিক বাবুদের কথা অমান্য করে রিতিমত অনৈতিক কাজ সহ সকল বিষয়ে– । প্রশাসনকে জানানো হলেও সন্তোষজনক কিছু সুরাহা হয়নি বলে জানান ছোট জমিদার বাবু।

জমিদার দের বংশ ধর-
“””””””””””””””””””””””””””””””
ক্ষেত্রনাথ দাস রায় চৌধুরী লোকান্তরে তার পুত্র যদুনাথ

দাস রায় চৌধুরী জমিদারী পরিচালনা করেন। জমিদার যদুনাথ দাস ও স্ত্রী প্রসন্নময়ী চৌধুরানীর দাম্পত্য জীবনে একমাত্র পুত্র ঘোড়া চালনা শিখতে গিয়ে ঘোড়ার কামড়ে বিষক্রিয়ায় মৃত্যু হয়। অপর দিকে যদুনাথের বহুমুত্র বা ক্ষয় রোগ থাকায় তিনি শেষ ইচ্ছাপূরণে ভারতের কাশি নামকস্থানে তীর্থ করতে যান এবং সেই খানে থাকার মানসে একখানা ঘর ক্রয় করেন।

কাশিতে আসেন কলকাতার বিখ্যাত বসু পরিবারের জ্মিদার একই উদ্দেশ্যে, সেখানে উভয় জমিদারের পরিচয় হয়। বাবু যদুনাথ দাস প্রথম দর্শনেই বালক হবেন্দ্র নাথ বসুরায় চৌধুরীকে পছন্দ করেন। পরে পাশা খেলার মাধ্যমে বালক হয়েন্দ্রনাথকে জিতে নেয় বাবু যদুনাথ দাস রায় চৌধুরী, শেষ মুহুর্তে যদু বাবু হরেন্দ্র নাথকে এক পাল্লায় রূপার টাকা এবং অন্য পাল্লায় হরেন্দ্র বাবুকে বসিয়ে কিনে আনেন। প্রকাশ থাকে যে, ভবিষ্যতে বসু পরিবারের কেউ হরেন্দ্র নাথকে দারি করিতে পারিবেনা। করিলেও সর্বআদালতে অগ্রাহ্য হইবে মর্মে তামার পাতে লিখা হয় এবং উভয় পরিবার একমত

পোষম করেন। এরপর বাবু যদুনাথ দাস রায় চৌধুরী সমস্ত সম্পন্তির মধ্যে সদর বাড়ির ৩৮ একর ৬৭ ডিং সম্পত্তি দেবত্তর ঘোষণা করেন। প্রাণ প্রিয় স্ত্রি প্রসন্নময়ী চৌধুরানী ও দত্তক পুত্র হরেন্দ্র নাথ দাস কে জয়েন্ট একজিকিউটর নিযুক্ত করেন। দেবত্তর থাকার কারনে কেহই এই সম্পতিতে এখনো হস্তক্ষেপ করতে পারেনি। বহিরাগত অনেকে ব্যার্থ হয়ে ফিরে গেছে।

বাবু হরেন্দ্র নাম দাস রায় চৌধুরী বয় প্রাপ্ত হলে প্রশ্নসমী চৌধুরানী সহ একত্রে জমিদারি পরিচালনা করেন, প্রসন্নময়ী চৌধুরানীর লোকান্তরে বাবু হরেন্দ্রনাথ রায় চৌধুরী একাই জমিদারি পরিচালনা করেন।

হরেন্দ্র নাথ রায় চৌধুরী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। উনি দুইটি-বিবাহ করেন। প্রথম বিবাহ করেন ঢাকার ভাগ্য কুল এলাকায়, স্ত্রির নাম আশালতা চৌধুরানী, আশালতার

গর্ভে দুই ছেলে এবং তিন মেয়ে রয়েছে। গোপেন্দ্র নারায়ন রায়চৌধুরী ও রনেন্দ্র নারায়ন রায় চৌধুরী, মেয়েদের মধ্যে আদর রায় চৌধুরী, সোহাগ রায় চৌধুরী ও সন্ধ্যা রায় চৌধুরী।

জমিদার হরেন্দ্র রায় চৌধুরী ২য় বিবাহ করেন যশোহর জেলায়। স্ত্রী নাম ছিলো কমলা রাণী চৌধুরাণী। এই সংসারে দুই ছেলে, রথিন্দ্র নারায়ন রায় চৌধুরী ও রবিন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরী। হরেন্দ্র নাথ রায় চৌধুরী চাঁদপুর মুনছেপ পাড়ায় স্ত্রী আশালতা চৌধুরানীর বাসায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

হবেন্দ্র নাথ রায় চৌধুরীর লোকান্তরে বড় ছেলে গোপেন্দ্র নারায়ন রায় চৌধুরী জমিদারী পরিচালনা করেন। গোপেন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরীর স্ত্রী শ্রীমতি মীরা রানী রায় চৌধুরানী জমিদার বংশের প্রদিপ প্রজ্জালন করেন। জমিদারী

প্রথা বিলুপ্ত হওয়ার পরও ধ্বংস প্রাপ্ত ধ্বংসাবশেষ নিয়ে জমিদার

বাড়ীতেই বসাবস করছেন। গোপেন্দ্র নারায়ন রায় চৌধুরীর চার পুত্র ও এক কন্যা সন্তান, ভাস্কর বসু রায় চৌধুরী, দিবাকর বসু রায় চৌধুরী, দেবয্যোতি রায় চৌধুরী ও দিপঙ্কর নারায়ণ রায় চৌধুরী, মেয়ে অনিতা রাণী রায় চৌধুরী।

গোপেন্দ্র নারায়ন রায় চৌধুরী ২/১১/১৯৯৬ ইং তারিখে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বর্তমানে স্ত্রী মিরা রানী রায় চৌধুরানী অসুস্থ রোগ মুক্তির কামনায় বড় ছেলে ভাস্কর বসু রায় চৌধুরী- সর্বস্তরের মানুষের প্রতি দোয়া / আশির্বাদ প্রার্থী হয়েছেন।

৭) বাবু রণেন্দ্র রায় চৌধুরী ও বাবু রথিন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরী ভারত বাসি হলেও গোপেন্দ্র নারায়ন রায় চৌধুরী ও বাবু রবিন্দ্রনারায়ন রায় চৌধুরীর বংশধররা রয়ে গেছে বাংলাদেশে।

বাবু রবিন্দ্র নারায়ন রায় চৌধুরী ওরফে ছোট বাবুর লোকান্তরে তিনি রেখে গেছেন স্ত্রি রিতা রানী রায় চৌধুরানী, দুই ছেলে এবং দুই মেয়ে যথাক্রমে রাজিব রায় চৌধুরী ও সজিব রায় চৌধুরী।

মেয়ে কাকলী রাণী যায় চৌধুরী ও দিপারানী রায় চৌধুরী।
পেশাজীবনে জমিদারদের উত্তর সূরীরা ব্যবসা বাণিজ্য, সমাজ সেবা মূলক কর্মকাণ্ড, গনমাধ্যমের সাথে সংযুক্ততা সহ রাজনীতির অঙ্গনেও রয়েছে সফল পদচারনা।