সংবাদ শিরোনামঃ
লক্ষ্মীপুর জেলায় ৮ম: বারের মতো শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হলে মোঃ এমদাদুল হক দালাল বাজার ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে কাকে ভোট দিবেন? লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী কাজল খাঁনের গণজোয়ার লক্ষ্মীপুরের উপশহর দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পাঁচজন,কে হবেন চেয়ারম্যান ? বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ওমান সুর শাখার সহ-সাধারন সম্পাদক কামাল হোসেনের ঈদের শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক এমপি ও মন্ত্রী হতে নয় বরং মানুষের পাশে দাঁড়াতে আ.লীগ করি, সুজিত রায় নন্দী বাড়ছে ভুয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য, নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী পদক্ষেপ চাই বাড়ছে ভুয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য, নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী পদক্ষেপ চাই লক্ষ্মীপুরে বিনা তদবিরে পুলিশে চাকরি পেল ৪৪ নারী-পুরুষ দুস্থ মানবতার সেবায় এগিয়ে আসা “সমিতি ওমান ” কর্তৃক চট্টগ্রামে ইফতার সামগ্রী বিতরণ দলিল যার, জমি তার- নিশ্চিতে আইন পাস লক্ষ্মীপুরে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে পবিত্র কুমার  লক্ষ্মীপুর সংরক্ষিত আসনের মহিলা সাংসদ আশ্রাফুন নেসা পারুল রায়পুরে খেজুর রস চুরির প্রতিবাদ করায় বৃদ্ধকে মারধরের অভিযোগ লক্ষ্মীপুরে আলোচিত রীয়া ধর্ষণের বিষয়ে আদালতে মামলা
মহান মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণকারী তোফায়েল আহম্মদ, (নৌ কমান্ডো নং ০১৬২)

মহান মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণকারী তোফায়েল আহম্মদ, (নৌ কমান্ডো নং ০১৬২)

ভিবি নিউজ ডেস্ক: তোফায়েল আহম্মদ
পিতা: মৃত ফজলুল হক, গ্রাম -পশ্চিম লক্ষ্মীপুর,ডাকঘর-দালাল বাজার,জেলা-লক্ষ্মীপুর, জন্ম-২০ জুন ১৯৪৯ ইং। মৃত্যু ১৯৯৮ ইং।

তোফায়েল আহম্মদ ১৯৭১ সালে লক্ষ্মীপুর সরকারী কলেজের ছাত্র ছিলেন।স্কুল জীবন থেকে ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন। ১৯৬৫ সালে এস এস সি পাশ করে লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন। অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিলেন। ১৯৬৬-এর ৬ দফা আন্দোলন,১৯৬৯ এর গণআন্দোলন এবং ১৯৭০ এর সংসদ নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের পক্ষে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন। ১৯৬৮ সালে তিনি কারা বরন করেন।

মার্চ মাসের শুরু থেকে তিনি এবং এলাকার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে ছাত্র যুবকদের বাঁশের লাঠি ও দেশি বন্দুক নিয়ে সামরিক প্রশিক্ষণ শুরু করেন। ২৫ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ ঘোষণার পর তিনি ছাত্র-যুবকদের সাথে নিয়ে ভারতের সীমান্ত অতিক্রম করে চোত্তাখোলা ক্যাম্পে যোগ দেন। সেখান থেকে মেলাম্বর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্পে যোগ দেন। জুন মাসে তিনি ৬০ জন যুবকের সাথে পলাশী নী-কমান্ডো প্রশিক্ষ ক্যাম্পে চলে আসেন।

এখানে তিন মাস কঠোর প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর ১৫ আগস্ট অপারেশন জ্যাকপটের অধীন চট্টগ্রাম বন্দর অভিযানে অংশ নেন। এ অপারেশনে মোট ৬০ জন নৌ-কম্যান্ডোকে পাঠানো হয়। দলনেতা ছিলেন সাবমেরিনার আবদুর ওয়াহেদ চৌধুরী। হরিণা থেকে হেঁটে ও নৌকায় মিরসরাই পৌঁছে ৬০ জন কম্যান্ডোকে তিন দলে ভাগ করে অগ্রসর হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। সম্মুখের যাত্রা বিপদসঙ্কুল। চারদিকে শত্রু। যেতে হবে বাসে। তিন গ্রুপের তিনজন সহ-অধিনায়ক মনোনীত করা হয় মাজহারউল্লাহ বীরউত্তম, ডা. শাহ আলম বীরউত্তম এবং রশিদ আহমদ। মাজহারউল্লাহর পায়ে খেজুর গাছের কাঁটা ফোটাতে তিনি যুদ্ধ থেকে বিরত থাকেন। ফলে তাঁর দলের অনেকে ছেড়ে বাড়ি চলে যান। তারা মিরসরাই থানার অধিবাসী ছিলেন। ডা. শাহ আলম, এ. ডব্লিউ চৌধুরী ও খোরশেদ বীরপ্রতীক অ্যাম্বুলেন্সে চেপে চট্টগ্রাম পৌঁছেন। রশিদ আহমদ সমুদ্রতীর পৌছে নিখোঁজ হয়ে যান।
সূত্র- মুক্তিযোদ্ধা নৌ-কমান্ডো ও নাবিক কোষ খলিলুর রহমান।