সংবাদ শিরোনামঃ
লক্ষ্মীপুর জেলায় ৮ম: বারের মতো শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হলে মোঃ এমদাদুল হক দালাল বাজার ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে কাকে ভোট দিবেন? লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী কাজল খাঁনের গণজোয়ার লক্ষ্মীপুরের উপশহর দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পাঁচজন,কে হবেন চেয়ারম্যান ? বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ওমান সুর শাখার সহ-সাধারন সম্পাদক কামাল হোসেনের ঈদের শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক এমপি ও মন্ত্রী হতে নয় বরং মানুষের পাশে দাঁড়াতে আ.লীগ করি, সুজিত রায় নন্দী বাড়ছে ভুয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য, নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী পদক্ষেপ চাই বাড়ছে ভুয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য, নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী পদক্ষেপ চাই লক্ষ্মীপুরে বিনা তদবিরে পুলিশে চাকরি পেল ৪৪ নারী-পুরুষ দুস্থ মানবতার সেবায় এগিয়ে আসা “সমিতি ওমান ” কর্তৃক চট্টগ্রামে ইফতার সামগ্রী বিতরণ দলিল যার, জমি তার- নিশ্চিতে আইন পাস লক্ষ্মীপুরে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে পবিত্র কুমার  লক্ষ্মীপুর সংরক্ষিত আসনের মহিলা সাংসদ আশ্রাফুন নেসা পারুল রায়পুরে খেজুর রস চুরির প্রতিবাদ করায় বৃদ্ধকে মারধরের অভিযোগ লক্ষ্মীপুরে আলোচিত রীয়া ধর্ষণের বিষয়ে আদালতে মামলা
বাংলাদেশে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট আতঙ্ক

বাংলাদেশে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট আতঙ্ক

ভিবি নিউজ ডেস্ক
ভারত থেকে আগত ৬ বাংলাদেশির মধ্যে দুটি ডাবল মিউটেন্ট, বাকি ৪টি কাছাকাছি
এই মুহূর্তে বিশ্ব চিন্তিত করোনাভাইরাস সংক্রমণের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট (ধরন) নিয়ে। ভারতকে তছনছ করে ইউরোপে পাড়ি দিয়েছে এই নতুন চরিত্রের কোভিড-১৯ জীবাণু। আশঙ্কা সত্যি করে বাংলাদেশেও শনাক্ত হলো সেই ভ্যারিয়েন্ট। গতকাল শনিবার বিকেলে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম। তিনি উদ্বেগ জানিয়ে বলেন, ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট অতি দ্রুত ছড়ায়। ছয়টি ভারতীয় ধরনের মধ্যে দুটি সরাসরি ডাবল মিউটেন্ট, বাকি চারটি কাছাকাছি। এ অবস্থায় স্বাস্থ্যবিধি না মানলে ঝুঁকি অনেক বেশি। তবে নতুন এ ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে উদ্বিগ্ন জনস্বাস্থ্যবিদরা।

আইইডিসিআর রিপোর্টে বলা হয়েছে, করোনার ভারতীয় ধরনটি ‘বি.১.১৬৭’ নামে পরিচিত। এই ধরনটি অতি সংক্রামক বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রতিবেশি ভারতে করোনার সংক্রমণ মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়ার ক্ষেত্রে এই ধরনটি দায়ী।

আইইডিসিআরের কর্মকর্তা ডা. এস এম আলমগীর জানান, ঢাকার বেসরকারি এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া এক ব্যক্তির নমুনা পরীক্ষা করে এই করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেল। এই খবর ছড়াতেই দেশ জুড়ে চিকিৎসকমহল চিন্তিত। কারণ, করোনার ভারতীয় ধরন অতি দ্রুত বিস্তার ঘটায়। এই ধরনটি আরো তীব্র সংক্রামক। ভারতের বর্তমান করোনা পরিস্থিতির জন্য যে তিনটি কারণ উল্লেখ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু), তার মধ্যে একটি হলো করোনার অতি সংক্রামক ধরনের বিস্তার।

চলছে রমজান। আসছে ঈদ। এদিকে ঈদের কেনাকাটির ধুম লেগেছে রাজধানীর বাজারে। অন্যান্য জেলা উপজেলার ছোট বড় সব বাজারে বিপনীতেও অতিরিক্ত ভিড়। কোথাও মানা হচ্ছেনা করোনা সংক্রমণ না ছড়ানোর দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি। আশঙ্কা করোনার ভারতীয় ধরনটি ছড়াবার প্রবল সম্ভাবনা। বিদ্যুতের গতিতে বাড়তে পারে করোনার সংক্রমণ।

সীমান্তের ওপারে করোনায় কাবু ভারত। সীমান্ত লাগোয়া ভারতের অন্যান্য রাজ্যগুলির তুলনায় পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। কলকাতার প্রায় সব হাসপাতালের করোনা রোগীর চিকিৎসার চাপে ত্রাহিত্রাহি রব। ভারতে এখনও চলছে অক্সিজেন ও টিকা সংকট। প্রায় প্রতিদিনই করোনায় মৃত্যু ও শনাক্তের নজির ভাঙছে। ভারতে গতকাল শনিবার পর্যন্ত মোট সক্রিয় করোনা রোগীর পরিমাণ ৩৭ লক্ষ ২৩ হাজার ৪৪৬ জন। মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দু’লক্ষ ৩৮ হাজারের বেশি। এটি শনিবারও করোনাভাইরাস মহামারীতে একদিনে মৃত্যুর নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে দেশটিতে।

ভারতের নতুন ধরনের করোনা ভ্যারিয়েন্ট কোনোভাবেই যাতে বাংলাদেশে ছড়াতে না পারে সেজন্য সীমান্ত ১৪ দিনের জন্য সময় বাড়িয়ে বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ। তবে যেসব বাংলাদেশির ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে তারা ভারতে বাংলাদেশি দূতাবাসের বিশেষ অনুমতি নিয়ে দেশে ফিরছেন।

এদিকে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরো ৪৫ জন। এ নিয়ে করোনায় দেশে মোট মৃত্যু হয়েছে ১১ হাজার ৮৭৮ জনের। এ সময়ে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ২৮৫ জন। এতে মোট শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭ লাখ ৭২ হাজার ১২৭ জনে। এছাড়া বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ কোটি ৭৫ লাখ ছাড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারস-এর তথ্য অনুযায়ী, করোনাভাইরাস বৈশ্বিক মহামারীতে এ পর্যন্ত বিশ্বের ২১৯টি দেশ ও অঞ্চল আক্রান্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা ১৫ কোটি ৭৫ লাখ ৩০ হাজার ৭২৯। এর মধ্যে ৩২ লাখ ৮৩ হাজার ৭২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছে ১৩ কোটি ৪৯ লাখ ৫৪ হাজার ৯৪৭ জন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে ছড়ানো করোনাভাইরাস বাংলাদেশে শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ৮ মার্চ। সেদিন দেশে করোনার প্রথম রোগী শনাক্তের কথা জানায় স্বাস্থ্য অধিদফতর। ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। এরপর ধীরে ধীরে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বাড়তে থাকে। তবে গত ডিসেম্বেরের শেষ দিক থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু মার্চ থেকে এ চিত্রে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দেয়। বাড়তে শুরু করে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা। বাড়তে থাকে মৃত্যুও। দেশে সর্বোচ্চ ১১২ জনের মৃত্যুর রেকর্ডের কথা জানানো হয় গত ১৯ এপ্রিল। আর সর্বোচ্চ সাত হাজার ৬২৬ জনের করোনা শনাক্ত হয় ৭ এপ্রিল।

সংক্রমণ ঠেকাতে গত ৫ এপ্রিল থেকে বিধিনিষেধ (লকডাউন) আরোপ করে সরকার। পরে ১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউনের ঘোষণা আসে। অবশ্য ঈদকে সামনে রেখে সেই লকডাউনও শিথিল হতে থাকে। এখন কেবল গণপরিবহন ছাড়া প্রায় সবই চালু আছে। গতকাল শনিবার বিকেলে যবিপ্রবির জনসংযোগ কর্মকর্তা আব্দুর রশিদের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনোম সেন্টারে শুক্রবার রাতে সেন্টারের সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল কবীর জাহিদের নেতৃত্বে একদল গবেষক করোনাভাইরাসের ভারতীয় ধরনটি শনাক্ত করেন। গবেষণা কাজের সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন যবিপ্রবির উপাচার্য ও জিনোম সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন। ইতোমধ্যে ভারতীয় ধরন শনাক্তের বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, আইইডিসিআর ও যশোরের স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ঈদকে সামনে রেখে যেভাবে মানুষজন তাদের শিশুসন্তানদের নিয়ে দোকানপাটে ভিড় করছেন, তাতে আমি শঙ্কিত। ফেরিঘাটে যে হারে মানুষজন যাচ্ছে তাতে কোনোভাবেই স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। ১০০ জন মানুষের পরিবর্তে হাজার মানুষ এক ফেরিতে পার হচ্ছেন। আমাদের বেখেয়ালিপনায় যেন দেশের ক্ষতি না হয় সেদিকে সবাইকে লক্ষ্য রাখতে হবে। মন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের সবার স্বাস্থ্যবিধি অবশ্যই মানতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি না মানলে আমাদের অবস্থা ভারতের চেয়েও খারাপ হবে। আমার এটা চাই না, করোনা সারা বিশ্বকে নাড়া দিয়েছে। ভারতে লাশের পাশে আরেক লাশ সৎকার হচ্ছে। একটু অক্সিজেন পাওয়ার জন্য সেখানে করোনা আক্রান্ত মানুষ ছোটাছুটি করছেন। কিন্তু অক্সিজেনের অভাবে মানুষ মারা যাচ্ছেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ভ্যাকসিন এখনো আমাদের হাতে কিছু মজুদ আছে। যাতে দ্বিতীয় ডোজ দিতে পারি তার জন্য রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হচ্ছি। এর মধ্যে একটা না একটা ব্যবস্থা হয়ে যাবে। ভ্যাকসিন যারা নিয়েছি তাদের অনেকেই মনে করেন তাদের করোনা হবে না। অনেকেই দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন তাদের অনেকেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাই আমাদের দেশে ওষুধ ও অক্সিজেনের অভাব হয়নি। আমাদের দেশে প্রতিদিন গড়ে ৭০ থেকে ৮০ টন অক্সিজেন লাগে। দেশে অক্সিজেন উৎপাদন হচ্ছে ২০০ টন। আগামী মাসে আরো ৪০ টন অক্সিজেন উৎপাদন হবে। এতে আমাদের অক্সিজেনের অভাব হবে না। তবে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে আমাদের অবস্থা খারাপ হয়ে যাবে।

জিনোম সেন্টারের সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল কবীর জাহিদ বলেন, ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের নম্বর হলো- ই১.৬১৭.২। তবে, এটি ডাবল মিউট্যান্ট নয়। ভারতের প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ এ ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত। ইউকেতে এটি ছিল ৫৯ শতাংশ। ভারতীয় এ ধরনটি ২০ শতাংশের বেশি সংক্রমণের সক্ষমতা রাখে। ভ্যাকসিন পরবর্তী ‘সেরাম এবং মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি’ এ ধরনকে কম শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয় করতে পারে।

গবেষক দলটি ভারত থেকে আগত সবাইকে পরপর দুইবার করোনা নেগেটিভ না হওয়া পর্যন্ত আইসোলেশনে রেখে পরীক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে ভারতীয় ধরনে আক্রান্ত রোগীরা যে সব ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছে, তাদের অতিদ্রুত পরীক্ষা করা আবশ্যিক বলে মনে করেন গবেষক দলটি। এ ছাড়া ভারতীয় ধরন শনাক্ত হওয়ায় সীমানা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ, বাণিজ্যিক বা অন্য কোন কারণে চালক ও সহকারীদের কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন ও পরীক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ বিষয়ে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং হেল্থ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশে বিশাল সীমান্ত। যেকোনো সময় যে কোনোভাবে ভারতের এই ভয়াবহ ভেরিয়েন্টটি দেশে ঢুকে যেতে পারে। যদিও ইতোমধ্যে সীমান্ত বন্ধ, বিমান বন্ধ রাখাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। কিন্তু সীমান্ত বন্ধ করে দেয়া হলেও দেশে ৬ জন ভেরিয়েন্টটি শনাক্ত হওয়ায় বেশ চিন্তিত। ভারতে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরির কারণ হচ্ছে করোনার এই ধরনটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আগ্রাসী গতিতে মানুষকে সংক্রমিত করছে। সংক্রমণের ২/৩ দিন পরই ফুসফুস আক্রান্ত করছে, অক্সিজেন লেভেল নেমে যাচ্ছে। ইউকে এবং দক্ষিণ আফ্রিকার ভেরিয়েন্টের চেয়ে ভারতের এই ভেরিয়েন্টটি আরো দ্রুত ছড়ায় বলে মনে করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) উপদেষ্টা ও প্রতিষ্ঠানটির সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মোস্তাক হোসেন বলেন, ভারতের ভেরিয়েন্ট নিয়ে আশঙ্কা আছে। কিন্তু দেশের ভেতরের ভেরিয়েন্টটি নিয়েও তো এখনো আশঙ্কা দূর হয়নি। সংক্রমণ কমেছে এতে এখনই স্বস্তিবোধ করার মতো কোনো অবস্থা তৈরি হয়নি। ইতোমধ্যে দেশে ৬ জনের শরীরে ভেরিয়েন্টটি শনাক্ত হয়েছে। সংক্রমণ যাতে না ছড়ায় সে ব্যবস্থা নিতে হবে, সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে। যত বেশি সংক্রমণ হবে তত বেশি মৃত্যু বাড়বে। ভারতে এত সংক্রমণের কারণেই এত মৃত্যু। সারা বিশ্বের ভেরিয়েন্ট ভারতে চলে এসেছে। দেশে যত বেশি সংক্রমণ হবে ধরনেরও (ভেরিয়েন্ট) তত বেশি পরিবর্তন হবে।