সংবাদ শিরোনামঃ
লক্ষ্মীপুরে স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ আবুসাঈদ”স্বরণে, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার তোফায়েল আহমেদের ” লক্ষ্মীপুর সাংবাদিক কল্যাণ সংস্থার নব নির্বাচিত কার্যকরি কমিটির সদস্য বৃন্দের র্পুনাঙ্গ তালিকা লক্ষ্মীপুরে পারিবারিক কলহে ঘরে আগুন দুই সন্তানের মৃত্যু, স্ত্রী দগ্ধ লক্ষ্মীপুরে শেয়ার হোল্ডারের মৃত্যুতে আলিফ-মীম হাসপাতাল কর্তৃক আর্থিক অনুদান চাঁদপুর-৩ আসনে নৌকার পক্ষে মনোনয়নপত্র নিলেন সুজিত রায় নন্দী আইনজীবী সহকারী সমিতি চাঁদপুর জেলা শাখার নির্বাচনে মোঃ নাহিদ যুগ্ম সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত লক্ষ্মীপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে স্বামী-স্ত্রীর উপর সন্ত্রাসী হামলা লক্ষ্মীপুরে অসহায়দের মধ্যে বিনামূল্যে ঢেউটিন, চেক ও হুইলচেয়ার বিতরণ করেন সাংসদ নুরউদ্দিন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক বিনু সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করছেন লক্ষ্মীপুর সদরে প্রানে হত্যার ভয়ভীতি দেখিয়ে স্ট্যাম্প, চেক ও আইডি কার্ড ছিনতাই, কোর্টে মামলা লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতা ট্রাংক মানিক সহ ৩ জনের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির মামলা জিয়া, এরশাদের আমলে দেশের উন্নয়ন হয়নি, শেখ হাসিনা উন্নয়ন করেছেন : মন্ত্রী তাজুল ইসলাম রামগঞ্জে মন্দিরের সীমানা প্রাচীর নির্মাণে বাধা দেয়ায় এলাকায় সনাতনী সম্প্রদায়ের ক্ষোভ লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ অভয় পাটোয়ারী বাড়ির গৌড় মন্দিরের সিমানা প্রাচির নিয়ে দন্দ,অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা লক্ষ্মীপুর -৩ সদর আসনের নির্বাচনে অনিয়ম রোধে অনুসন্ধান কমিটি
প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে শিশু সন্তানকে খুন করলেন বাবা

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে শিশু সন্তানকে খুন করলেন বাবা

বিশেষ প্রতিনিধি ঃলক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে বাবার হাতেই খুন হয় দেড় বছর বয়সী শিশুকন্যা ফারহানা আক্তার রাহিমা।

আজ সোমবার (১১ মে) সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসীম উদ্দীন।

এর আগে দুপুরে লক্ষ্মীপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট রায়হান চৌধুরীর আদালতে ১৬৪ ধারায় খুনের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন নিজ সন্তান হত্যাকারী ঘাতক পিতা ফয়েজ আহাম্মদ মনু (৪৫)। ঘাতক মনু চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্বরাজাপুর গ্রামের মৃত হোসেন চোরা ওরফে খোরশেদ আলমের ছেলে।

আদালতে দোষ স্বীকার করে ঘাতক ফয়েজ আহাম্মদ মনু খুনের বর্ণনা দিতে গিয়ে জানায়, পাশের বাড়ির মতিনদের সাথে জমি পরিমাপ এবং বিদ্যুতের লাইন টানা নিয়ে তার সাথে আগে থেকে বিরোধ চলছিল। তাদেরকে হত্যা মামলায় ফাঁসাতেই নিজের শিশুকন্যাকে হত্যার একক পরিকল্পনা নেয় মনু। গত ৫ মে দুপুর ১২টার দিকে বাড়িতে খেলাধুলা করছিল শিশু রাহিমা। এসময় সবার অজান্তে রাহিমাকে কোলে তুলে বাড়ি থেকে একটু দূরে নির্জন ঝোঁপের কাছে নিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ সেখানেই লুকিয়ে রাখে। এরপর বাড়িতে এসে তার মেয়ে হারিয়ে গেছে বলে বিভিন্নস্থানে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন সবাই। সারাদিন চলে যাওয়ার পর রাত ১০টার দিকে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মেয়ে হারানোর সাধারণ ডায়রি করেন পিতা মনু নিজেই। এরপর পুলিশসহ বাড়ির আশপাশের বিভিন্নস্থানে শিশু রাহিমাকে খোঁজাখুঁজি করা হয়। কিন্তু তাকে আর পাওয়া যায়নি।

৮ মে শুক্রবার রাত ১২টার পরে শিশু রাহিমার লাশ ওই ঝোঁপের থেকে নিয়ে এসে নিজবাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকিতে ফেলে দেয় পিতা মনু নিজেই। পরদিন শনিবার সকাল ৭টার দিকে চন্দ্রগঞ্জ থানায় ফোনে খবর দেয় তার মেয়ের লাশ পাওয়া গেছে তার বাড়ির টয়লেটের ট্যাংকিতে। এরপর পুলিশ এসে সেপটিক ট্যাংকি থেকে শিশু রাহিমার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় শিশু রাহিমার মা’ রাশেদা আক্তার সুমি বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন।

চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসীম উদ্দীন বলেন, জেলা পুলিশ সুপার ড. এএইচএম কামরুজ্জামান স্যারের দিক নির্দেশনায় শিশুকন্যা রাহিমা হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটিত হয়েছে। খুনের যাবতীয় পরিকল্পনা ও মরদেহ গুমের বর্ণনা দিয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে ঘাতক পিতা ফয়েজ আহাম্মদ মনু।
(সংগৃহীত আর টিভি অনলাইন ১১ মে)