সংবাদ শিরোনামঃ
রায়পুরে খেজুর রস চুরির প্রতিবাদ করায় বৃদ্ধকে মারধরের অভিযোগ লক্ষ্মীপুরে আলোচিত রীয়া ধর্ষণের বিষয়ে আদালতে মামলা তিনশ’ বছরের ঐতিহাসিক ‘খোয়াসাগর দিঘি’র নাম পরিবর্তনের কোন সুযোগ নেই, জেলা প্রশাসক’ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুব ও ক্রিড়া বিষয়ক উপকমিটির তৃতীয় বার সদস্য হলেন লক্ষ্মীপুরের কৃতি সন্তান আবুল বাশার লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ প্রেসক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন সভাপতি-তাহের,সম্পাদক কাউছার লক্ষ্মীপুরে মেয়ের পেটে বাবার সন্তান, প্রসব করে বাসর ঘরে লক্ষ্মীপুরের কৃতিসন্তান রোটারিয়ান ইঞ্জি: মোহা: মোহাব্বত উল্যাহ পরপারে ওমানে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ২০২৪-২৫ ইং সনের কার্যকরি কমিটি গঠন সভাপতি-ছৈয়দ হোসেন তালুকদার, সম্পাদক-জসিম উদ্দিন হায়দার, সহসাধারণ সম্পাদক মোঃ কামাল হোসেন নির্বাচিত লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের নির্মান কাজ ৬ বছরেও হয়নি শেষ,মারাত্মক ভোগান্তির শিকার সেবাপ্রার্থীরা মিজানুর রহমান মুকুল রামগঞ্জ প্রেসক্লাবের নির্বাচনে সভাপতি পদপ্রার্থী লক্ষ্মীপুরের উপশহর দালাল বাজারে একটি গণশৌচাগার আবশ্যক, জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ লক্ষ্মীপুর সদরে স্বাধীনতা স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি মোবারক সম্পাদক মাহফুজ, যুগ্ম সম্পাদক ফয়সাল কবির প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী স্কুল এন্ড কলেজের ১ যুগপূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ভিসি ড, এ এস এম মাকসুদ কামাল রায়পুরে ৬৫ বছরের বৃদ্ধ কৃষককে পিটিয়ে খালে ফেলে দিলেন ইউপি সদস্য আরিফুর রহমান ডিজিটাল যুগে এসে হারিয়ে গেলো কুপি(চেরাগ)
জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর আজ ১০ জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস

জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর আজ ১০ জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস

ভিবি নিউজ ডেস্কঃ

আজ ঐতিহাসিক ১০ জানুয়ারি। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। ১৯৭২ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে রক্তস্নাত স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখেন। পূর্ণতা পায় বাঙালির বিজয়।

মহান এই নেতার প্রত্যাবর্তনে স্বাধীনতাসংগ্রামের বিজয় পূর্ণতা পায়। বিশ্বজুড়ে জাতি পরিচিতি পায় বীর বাঙালি হিসেবে। স্বয়ং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ‘অন্ধকার হতে আলোর পথে যাত্রা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদাররা বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তাঁর ধানমণ্ডির বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। তাঁকে পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি করা হয়। বাঙালি যখন স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করছে, বঙ্গবন্ধু তখন পাকিস্তানের কারাগারে প্রহসনের বিচারে ফাঁসির আসামি হিসেবে মৃত্যুর প্রহর গুনছিলেন। একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর বাঙালির চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হওয়ার পর বিশ্বনেতারা বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবিতে সোচ্চার হয়ে ওঠেন। আন্তর্জাতিক চাপে পরাজিত পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী শেষ পর্যন্ত বন্দিদশা থেকে বঙ্গবন্ধুকে সসম্মানে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

২৯০ দিন পাকিস্তানের কারাগারে কাটানোর পর লন্ডন-দিল্লি হয়ে বঙ্গবন্ধু ঢাকায় পৌঁছেন ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি। এরপর প্রতিবছর কৃতজ্ঞ বাঙালি জাতি নানা আয়োজনে পালন করে আসছে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। বঙ্গবন্ধু হানাদারমুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন বিজয়ের মালা পরে। সেদিন বিমানবন্দর থেকে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দান (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পর্যন্ত রাস্তা ছিল লোকে লোকারণ্য। স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে পা রেখেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বঙ্গবন্ধু। দীর্ঘ ৯ মাস পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসরদের গণহত্যার সংবাদ শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

সেদিন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে লাখো মানুষের উদ্দেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঘোষণা দেন, ‘রক্ত দিয়ে হলেও আমি বাঙালি জাতির এই ভালোবাসার ঋণ শোধ করে যাব।’ কথা রেখেছেন জাতির পিতা। হিংস্র পাকিস্তানি হানাদাররা যাঁর গায়ে আঁচড় দেওয়ার সাহস দেখাতে পারেনি, স্বাধীন দেশে বাঙালি নামের এক শ্রেণির কুলাঙ্গার-বিশ্বাসঘাতকের হাতে তাঁকে জীবন দিতে হয়েছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে নিজের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে বঙ্গবন্ধু তাঁর কথা রেখেছেন।