সংবাদ শিরোনামঃ
দালাল বাজার ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে কাকে ভোট দিবেন? লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী কাজল খাঁনের গণজোয়ার লক্ষ্মীপুরের উপশহর দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী পাঁচজন,কে হবেন চেয়ারম্যান ? বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ওমান সুর শাখার সহ-সাধারন সম্পাদক কামাল হোসেনের ঈদের শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক এমপি ও মন্ত্রী হতে নয় বরং মানুষের পাশে দাঁড়াতে আ.লীগ করি, সুজিত রায় নন্দী বাড়ছে ভুয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য, নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী পদক্ষেপ চাই বাড়ছে ভুয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য, নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী পদক্ষেপ চাই লক্ষ্মীপুরে বিনা তদবিরে পুলিশে চাকরি পেল ৪৪ নারী-পুরুষ দুস্থ মানবতার সেবায় এগিয়ে আসা “সমিতি ওমান ” কর্তৃক চট্টগ্রামে ইফতার সামগ্রী বিতরণ দলিল যার, জমি তার- নিশ্চিতে আইন পাস লক্ষ্মীপুরে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে পবিত্র কুমার  লক্ষ্মীপুর সংরক্ষিত আসনের মহিলা সাংসদ আশ্রাফুন নেসা পারুল রায়পুরে খেজুর রস চুরির প্রতিবাদ করায় বৃদ্ধকে মারধরের অভিযোগ লক্ষ্মীপুরে আলোচিত রীয়া ধর্ষণের বিষয়ে আদালতে মামলা তিনশ’ বছরের ঐতিহাসিক ‘খোয়াসাগর দিঘি’র নাম পরিবর্তনের কোন সুযোগ নেই, জেলা প্রশাসক’
আওয়ামী লীগ সরকারের ২ বছর পূর্তি অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ

আওয়ামী লীগ সরকারের ২ বছর পূর্তি অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ

ভিবি নিউজ ডেস্কঃ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশের সাহসী এবং অগ্রগতিশীল উন্নয়ন কৌশল গ্রহণে সামাজিক অগ্রগতির মাধ্যমে দ্রুত উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এসবই সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্ব, দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা, এমডিজি অর্জন, এসডিজি বাস্তবায়নসহ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, লিঙ্গ সমতা, কৃষি, দারিদ্র্যসীমা হরাস, গড় আয়ু বৃদ্ধি, রফতানিমুখী শিল্পায়ন, ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, পোশাক শিল্প, ওষুধ শিল্প, রফতানি আয় বৃদ্ধিসহ নানা অর্থনৈতিক সূচক। পদ্মা সেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর, ঢাকা মেট্রোরেলসহ দেশের মেগা প্রকল্পসমূহ আজকে দেশে গ-ি ছাড়িয়ে বহি:বিশ্বের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে।

করোনা মহামারীতেও থেমে নেই অগ্রযাত্রা : ২০২০ সালে করোনা মহামারীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে সারাবিশ্ব। এমন প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে বাংলাদেশ এখন যে ধরনের অর্থনৈতিক বিকাশের মধ্যদিয়ে যাচ্ছে তা অব্যাহত থাকলে ২০৩৫ সাল নাগাদ দেশটি হবে বিশ্বের ২৫তম বৃহৎ অর্থনীতি। ব্রিটেনের অর্থনৈতিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর ইকোনোমিক্স অ্যান্ড বিজনেস রিসার্চ তাদের সর্বশেষ এক রিপোর্টে এই পূর্বাভাস দিয়েছে। অপরদিকে চলতি অর্থবছরে মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আইএমএফ প্রকাশিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুকে এ তথ্য জানানো হয়। আইএমএফের রিপোর্ট অনুযায়ী ২০২০ সালে বাংলাদেশের সম্ভাব্য মাথাপিছু জিডিপি চার শতাংশ বেড়ে হতে পারে এক হাজার ৮৮৮ ডলার। সেখানে ভারতের সম্ভাব্য মাথাপিছু জিডিপি ১০ দশমিক পাঁচ শতাংশ কমে হতে পারে এক হাজার ৮৭৭ ডলার। টানা তৃতীয় মেয়াদে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের দ্বিতীয় বর্ষ এটি। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিন-চতুর্থাংশ আসনে বিজয়ী হওয়ার পর ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি সরকার গঠন করে। গত ১০ বছরের ধারাবাহিকতায় এগিয়ে চলছে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি। বাংলাদেশের আজ সব সূচকে অগ্রগতি। মেগা প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতায় থাকা বর্তমান সরকারের সাফল্যের মধ্যে কৃষি ও শিক্ষা ক্ষেত্রে রীতিমতো বিপ্লব ঘটেছে। সর্বজনীন শিক্ষানীতি প্রণয়ন, প্রথম থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে বছরের শুরুতেই বিনামূল্যে বই বিতরণ, সরকারের বড় দাগের সাফল্য হিসেবেই দেখা হচ্ছে। বর্তমান সরকার নিজস্ব অর্থায়নে নির্মাণ করছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু। রাজধানীর যানজট কমাতে মেট্টোরেলের কাজও অধিকাংশ প্রায় সম্পন্ন। এছাড়া অর্থনৈতিক উন্নয়ন, মানব সম্পদের উন্নয়ন, সামাজিক উন্নয়ন, বৈশ্বিক উন্নয়নের লক্ষমাত্রা অর্জন, সারাদেশে সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়ন, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা, জলবায়ু, পরিবেশের উন্নয়ন ও দুর্যোগ মোকাবিলা, ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন, বিদ্যুৎ উৎপাদন, স্বাস্থ্য খাতে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্যের প্রশংসা করছেন বিশ্লেষকরা। এছাড়া সরকার প্রধান শেখ হাসিনা গত এক বছরে দেশের উন্নয়নে এবং বিভিন্ন সরকারি কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বেশ কিছু আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন, যা সরকারের সাফল্য এবং দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে। প্রবাসী আয়ে ২ শতাংশ প্রণোদনায় বাড়তে শুরু করেছিল রেমিটেন্স। করোনায় হঠাৎ ধাক্কা লাগে প্রবাসী আয়ে। বৈশ্বিক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বন্ধ হয়ে যায় অবৈধ পথ। ফলে প্রবাসী আয়ে বড় ধরনের উল্লম্ফন হয়। প্রবাসী আয় বৃদ্ধি ও আমদানি কমে যাওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ নতুন নতুন উচ্চতা ছুঁয়ে গেছে। করোনার মধ্যে রিজার্ভ ৩ হাজার ৪০০ কোটি ডলার থেকে ৪ হাজার ২০০ কোটি ডলারে পৌঁছায়। মাথাপিছু আয় প্রথমবারের মতো দুই হাজার ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ২০১৯-২০ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ২০৭৪ ডলার। গত এক দশকে মাথাপিছু আয় আড়াই গুণ হয়েছে। পদ্মা সেতু প্রকল্পে চলতি বছরের শুরুতে প্রায় সাড়ে চার হাজার শ্রমিক কাজ করছিলেন। মহামারীর শুরুতে চীনাসহ বিদেশি শ্রমিকরা চলে যাওয়ার পরও মার্চের শুরুতে প্রায় দেড় হাজার শ্রমিক ছিলেন। তাদের নিয়েই সীমিত পরিসরে কাজ চলছিল। বছরের শেষে এসে পুরোদমে কাজ শুরু হয় প্রকল্পটির কাজ। দক্ষিণ জনপদের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণে যে বিপুল কর্মযজ্ঞের সূচনা হয়েছিল পদ্মার পাড়ে, তা পূর্ণ অবয়ব পায় গত ১০ ডিসেম্বর। সেতুর ৪১তম স্প্যান স্থাপনের মধ্যদিয়ে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার পদ্মা সেতুর পুরো মূল কাঠামো দৃশ্যমান হয় সেদিন; তৈরি হয় রাজধানীর সঙ্গে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার সরাসরি সড়ক যোগাযোগের পথ। এ বিষয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানান, ১০ মাস থেকে একবছরের মধ্যে সেতুর কাজ শেষ হবে। এর মধ্যে সেতুতে ঢালাইয়ের কাজ, সড়কের জন্য প্রস্তুত করা, রেলের জন্য প্রস্তুত করার কাজ শেষ করা হবে। সব ঠিক থাকলে ২০২২ সালের প্রথমভাগেই এ সেতু চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা যাবে বলে সরকার আশা করছে। পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত ৩৯ হাজার ২৫৮ কোটি ১৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৭৩ কিলোমিটার ব্রডগেজ রেলপথ বসানো হচ্ছে।

দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩১ শতাংশের বেশি ভৌত কাজ এ পর্যন্ত শেষ হয়েছে। মহামারীর কারণে অন্য অনেক প্রকল্প সাময়িক গতি হারালেও এ প্রকল্প সেভাবে বাধাগ্রস্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক মো. শওকত আকবর। এক লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্পের কাজের ২৬ শতাংশের মত শেষ হয়েছিল মার্চে মহামারীর শুরুর আগে। মহামারীর মধ্যেই স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে দিনরাত কাজ চালিয়ে মেয়াদের তিন বছর আগে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে দেশের প্রথম মেট্রোরেল চালু করার নতুন লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে এখন। এমআরটি-৬ নামের এ প্রকল্পের উত্তরা থেকে আগারগাঁও ১১ দশমিক ২৯ কিলোমিটার অংশ পর্যন্ত ২০২১ সাল এবং আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার ২০২৩ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য ছিল। গত নভেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পের সার্বিক গড় অগ্রগতি ৫৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ। আগের বছরের নভেম্বরে সার্বিক অগ্রগতি ছিল ৩৮ দশমিক ৩৫ শতাংশ। আর এ বছরের জানুয়ারিতে ৪০ দশমিক ৩৬ শতাংশ কাজ এগিয়েছিল। মেট্রোরেল-৬ বাস্তবায়নে খরচ হচ্ছে ২২ হাজার কোটি টাকা, যার ৭৫ শতাংশ ঋণ হিসেবে দিচ্ছে জাপান সরকারের সহযোগী সংস্থা জাইকা। ‘ওয়ান সিটি-টু টাউন’ মডেলে চট্টগ্রাম শহরের সাথে আনোয়ারাকে যুক্ত করতে কর্ণফুলী নদীর তলদশে তৈরি হচ্ছে সাড়ে তিন কিলোমিটারের সুড়ঙ্গপথ। চীনা অর্থায়নে চলমান বঙ্গবন্ধু টানেল প্রকল্পে কাজ করছে চায়না কমিউনিকেশন্স কনস্ট্রাকশন কোম্পানি (সিসিসিসি)। মহামারীর শুরুতে গত মার্চ পর্যন্ত এ প্রকল্পের মোট ৫১ শতাংশ বাস্তবায়িত হয়। ডিসেম্বর পর্যন্ত অগ্রগতি ৬১ শতাংশ। এরই মধ্যে নদীর তলদেশ দিয়ে প্রায় আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ দুটি টিউবের মধ্যে একটি খনন ও রিং স্থাপন কাজ শেষ হয়েছে। গত ১২ ডিসেম্বর শুরু হয়েছে দ্বিতীয় টিউবের খনন কাজ। নদীর তলদেশের নিচে ৩ দশমিক ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ টানেল, দুই মুখে সড়ক আর ওভারপাস বা সেতুসড়ক নির্মিত হচ্ছে। ২০১৫ সালে অনুমোদন পাওয়া এ প্রকল্পে সময়মতো অর্থ ছাড় না করায় কাজ শুরু হয় ২০১৮ সালের শেষের দিকে। ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। গতকাল বুধবার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার এক যুগ অতিক্রম করেছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের পর আজকের এই দিনে রাষ্ট্র পরিচালনার যাত্রা শুরু করে দলটি। ক্ষমতার দীর্ঘ এক যুগে (তৃতীয় মেয়াদের দুই বছর) আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও কঠোর পরিশ্রমে দৃশ্যমান হয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত স্বপ্নের সোনার বাংলা। গ্রামীণ অবকাঠামো রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কালভার্ট, স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা, মেডিকেল কলেজ, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, জেলা-উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কমিউনিটি ক্লিনিকসহ নানামুখী সেবা পৌঁছে গেছে মানুষের দোরগোড়ায়। বাস্তবায়ন হচ্ছে পদ্মা সেতু ও মেট্রোরেলসহ বড় বড় মেগা প্রকল্প। একইসাথে বঙ্গবন্ধুকন্যার দূরদর্শী নেতৃত্বে গঠন হয়েছে দুর্নীতি, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত দেশ। আওয়ামী লীগ সরকারের এক যুগের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নযাত্রা দেখছে দলটি। তারা বলছে, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গঠনের লক্ষ্য সামনে রেখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধীরা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার মধ্যদিয়ে দেশকে অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছিল। সততা, সাহস, দেশপ্রেম ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে দেশকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে এসেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার সাহসী নেতৃত্বে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ও এক-এগারোর সামরিক শাসন আমলে দেশ ও দেশের অর্থনীতিকে পিছিয়ে দেয়া হয়েছিল। ভেঙে পড়েছিল দেশের অর্থনীতি অবকাঠামো। ঠিক সেই সময় দেশের জনগণ বঙ্গবন্ধুকন্যাকে রাষ্ট্রপরিচালনার দায়িত্ব দেন। দায়িত্ব নিয়ে পিছিয়ে পড়া দেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে সততা ও নিষ্ঠার সাথে রাষ্ট্র পরিচালনা করেন তিনি। তার দক্ষ নেতৃত্বে দেশে আজ অভূতপূর্ব উন্নয়ন চলমান। বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। দৃশ্যমান হয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা।

এ বিষয়ে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং সদ্যস্বাধীন দেশে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু ৭৫-এর ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্যদিয়ে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নকে নস্যাৎ করে দেয়। ঠিক সেই মুহূর্তে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ গঠনের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার নেতৃত্বেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা আজ দৃশ্যমান। একই সুরে কথা বলেন দলের আরেক সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে দেশের মানুষ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্বের সুফল পাচ্ছে। বিশ্বের বুকে আজ বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যার নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল।