ঢাকাMonday , 20 April 2026
    আজকের সর্বশেষ সবখবর

    লক্ষ্মীপুরে ভুল কীটনাশক ব্যবহারে কৃষক বাবুল সর্বনাশগ্রস্ত কৃষি কর্মকর্তার নিকট অভিযোগ দিয়েও মিলছে না কোন সুরাহা

    admin
    April 20, 2026 9:31 am । ৫ জন
    Link Copied!

    লক্ষ্মীপুরে ভুল কীটনাশক ব্যবহারে কৃষক বাবুল সর্বনাশগ্রস্ত কৃষি কর্মকর্তার নিকট অভিযোগ দিয়েও মিলছে না কোন সুরাহা

    লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি :লক্ষ্মীপুরে ভুল কীটনাশক ব্যবহার করে সর্বস্বান্ত হয়েছেন কৃষক বাবুল। পুড়ে গেছে এক একর জমির(ফসল) ধান ক্ষেত। কীটনাশক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাসান মাহমুদ ও নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে গণমাধ্যম কে জানান।

    জানা যায় লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ থানার আওতায়ধীন ১৪নং মান্দারী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড গন্তব্যপুর গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটে । ভুক্তভোগী কৃষক বাবুল বলেন, আমার নিজ চাষি জমি না থাকায় আমি সুদের উপর ও বিভিন্ন ব্যাংক এবং সমিতি থেকে কিস্তি ও লোনের মাধ্যমে টাকা নিয়ে এক একর জমিন বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করে আসছি। ধানের জমিতে মাজরা পোকার আক্রমণ রোধে গন্তব্যপুর স্থানীয় বাজারে সততা ট্রেডার্স এর মালিকের কাছে গিয়ে কীটনাশক চাইলে দোকানী আমির হোসেন তাকে নীল প্লাস পাউডার ও তরল সিলেকশন দেন। নীল প্লাস ও সিলেকশন তরল ওষুধ স্প্রে করার ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হয় কৃষক ।

    নিরুপায় হয়ে ১৯ এপ্রিল সকাল ১১টার দিকে লক্ষ্মীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কৃষি কর্মকর্তার বরাবর একখানা লিখিত অভিযোগ দেয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত বিষয়টি জানান ভুক্তভোগী চাষি বাবুল কৃষক। কৃষি কর্মকর্তা ও নির্বাহী কর্মকর্তা কে দেওয়া অভিযোগের কপি গণমাধ্যম কে জানালে তারা সরজমিনে গিয়ে সত্যতা প্রমান পাওয়া যায়।

    এ বিষয়ে কীটনাশক বিক্রেতা সততা ট্রেডার্স এর মালিকের মুঠোফোনে একাধিক বার কল করার পরে সাংবাদিকের মুঠোফোনে কল রিসিভ করে কৃষক বাবুলের এক একর ফসলী জমি চাষাবাদে ভুল কীটনাশক ওষুধ দেওয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে কীটনাশক ওষুধ ব্যবসায়ী আমির হোসেন জানান, আমার নীল প্লাস ও সিলেকশন ওষুধ দিয়ে শতভাগ কৃষক চাষাবাদ করে।

    আমি খোঁজ নিয়ে জেনেছি বাবুল কৃষক তার লোকের মাধ্যমে নীল প্লাস ও সিলেকশন ওষুধদের সাথে আরো ২টা কীটনাশক নামক ঘাসের ওষুধ যুক্ত করে দেওয়ার ফলে এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে সত্য ঘটনা কে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টায় কীটনাশক ওষুধ ব্যবসায়ী আমির হোসেন আরো বলেন,আমি আমার জায়গা থেকে ১০০% সঠিক।ভুল করিলে কৃষক বাবুল করেছে আমি নয়।কৃষক বাবুল কে দোষী মন্তব্য করেছেন ভুল কীটনাশক ওষুধ ব্যবসায়ী আমির হোসেন।

    ধান নষ্ট হওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে উল্লেখ করে উপজলো কৃষি অফিসার বলেন, তদন্তে যদি বের হয় কীটনাশক ওই দোকানী দিয়েছেন, তাহলে আমরা তার লাইসন্স বাতিল করতে পারি।

    এদিকে ভুক্তভোগী ও এলাকার স্থানীয় প্রতিবেশী কৃষকরা জানান,গত এক সপ্তাহ আগে মান্দারী ইউনিয়ন কৃষি অফিসার ইউনুস নবী কে ফসলী জমি ধান নষ্ট করার অভিযোগ করে সরজমিনে গিয়ে তদন্তের মাধ্যমে ভুল কীটনাশক ওষুধ দিয়ে কৃষক বাবুলের ফসলী জমির ধান নষ্ট করার অভিযোগে কীটনাশক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে একটি সুবিচার কামনা করেও ব্যর্থ হয়েছেন কৃষক।

    বাবুল কৃষকের অভিযোগে সরজমিন না যাওয়া ও কৃষক মাঠে কৃষি অফিসার কে না চিনার কারণ জানতে মান্দারী কৃষি অফিসে গিয়ে দেখা যায় চার টার আগেই সাড়ে তিনটার দিকে কৃষি অফিস বন্ধ। পরে উপ-সহকারী কৃষি অফিসার এর মুঠোফোনে কল করে জানতে চাইলে ইউনুস নবী তেলে বেগুনে আগুন,তিনি বলেন, কৃষকের সমস্যা হলে কৃষি অফিসকে না জানিয়ে সাংবাদিক কে জানায় কেন। সাংবাদিক কি কৃষকের সমস্যা সমাধান করতে পারবে ?