কমলনগরে খাদ্যগুদামের চাল ব্যবসায়ীর গোডাউনে
কমলনগর প্রতিনিধি- লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার কাজের বিনিময়ে খাদ্য ( কাবিখা) কর্মসূচির আওতায় বরাদ্ধকৃত গম চাল সরকারী নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে কালোবাজারে বিক্রি হচ্ছে । এতে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধিকে ঘিরে জনমনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার কমলনগর নাহিদ ট্রেডার্সের গোডাইনের সামনে সরকারী সিল মারা সাদা চালের বস্তা ট্রলিতে দেখে সন্দেহ হলে উপস্থিত বাজারের সাধারণ জনতা ও ব্যবসায়ীদের মাঝে ক্ষোভ দেখা দেয়।
স্থানীয়রা জানান, বিগত এক দুই মাস যাবত সরকারী লগোযুক্ত সাদা বস্তা চাউল সকাল ৬ থেকে ৭ টার মধ্যে ট্রাক্টার টলি গাড়ি যোগে এনে নাহিদ ট্রেডার্সের গোডাউনে ঢুকাতে দেখেন। তারা বলেন বিভিন্ন সময়ে কালো বাজারিরা প্রায় ৪০ থেকে ৫০ মে.টন চাল এনেছেন। নামপ্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয়রা আরো বলেন, সরকারী সাদা বস্তার লগোযুক্ত চাল নাহিদ ট্রেডার্সের ফাসায়েত উল্যাহর নেতৃত্বে তার তিন চার ভাইসহ কর্মচারীরা বস্তা খুলে ফেলে। পরে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন মোকামের নামিদামি প্রতিষ্ঠানে বস্তা বদলে চওড়া মূল্যে তাদের দোকানে বিক্রি করে আসছেন। দিনের পর দিন ব্যবসার নামে নদীভাঙা মানুষের সাথে এমন প্রতারণা করেন নাহিদ ট্রেডার্স। তাদের দাবি; ভোক্তা অধিকার ও উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি নজরে নিলে মানুষ এহেন অপকর্মের হাত থেকে রক্ষা পাবে। মঙ্গলবার হাজিরহাট-লুধুয়া সড়কের মরহুম সাকায়েত উল্যাহ মিয়ার বাড়ির বিপরীতে নাহিদ ট্রেডার্সের গোডাউনের সামনে সরকারী লগোযুক্ত সাদা বস্তার দুই গাড়ি চাল হঠাৎ ঢুকাতে দেখে প্রতিবেদক তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা উল্টো ক্ষীপ্ত হয়ে তার সাথে বিভিন্ন ভাষায় অসদাচারণ করেন।
এবিষয়ে নাহিদ ট্রেডার্সের মো. ফাসায়েত উল্যাহ বলেন, এগুলো কাবিখা প্রকল্পের সরকারী চাল। আমরা কিনেছি। কারো সমস্যা আছে? এমন দাম্ভিকতার সহিত কথা বলেন তিনি।
এই বিষয়ে নাহিদ ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী নিজামীর কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার মামা চেয়ারম্যান হলো চৌধুরী থেকে আমি এই কাবিখার চাউল গুলো কিনেছি।
কমলনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রাহাত উজ জামান বলেন, সরকারী খাদ্যবিভাগের চাল কালো বাজারে বিক্রির কোন নিয়ম বা সুযোগ নেই। এবিষয়ে অভিযোগ পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।






