ঢাকাThursday , 16 April 2026
    আজকের সর্বশেষ সবখবর

    লক্ষ্মীপুরে মেঘনা নদীতে ঝাটকা নিধনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ?

    admin
    April 16, 2026 4:45 pm । ২৭ জন
    Link Copied!

    লক্ষ্মীপুরে মেঘনা নদীতে ঝাটকা নিধনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ?

    লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরে মেঘনা নদীতে ঝাটকা ইলিশ নিধনে সদরের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাংবাদিকদের ব্যবহার করে পুলিশ প্রশাসন ছাড়া মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে অবৈধ জাল জব্দ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের হুমকির মুখে ফেলে মৎস্য কর্মকর্তা ঘটনার স্থল থেকে চলে আসার অভিযোগ উঠেছে ।
    জানা যায় লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেন ঝুঁকিতে পড়া সাংবাদিকরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলার সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ও তার সহকারী বৃন্দ। আরও উপস্থিত ছিলেন পুলিশের ২ জন কনস্টেবল ও সোশ্যাল ইলেকট্রনিকস ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ। এই মোবাইল কোর্ট অভিযানটি পরিচালনা করা হয়েছে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার উদ্যোগে।

    ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প এর আওতায় ১ মার্চ ২০২৬ ইং হইতে ৩০ শে এপ্রিল ২০২৬ ইং পর্যন্ত মেঘনা নদীর ইলিশ অভয় শ্রম এলাকায় জাটকা ও ইলিশসহ সকল ধরণের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকা সত্তেও জাটকা ধরা বন্ধ হয়নি জেলেদের।

    ১৫ই এপ্রিল ২০২৬ইং তারিখ রোজ বুধবার বিকাল ৫টার সময় অভিযান শুরু হলে দেখা যায় নদীতে জেলেদের অবৈধ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল। মিলেনি কোন মাছের সন্ধান। মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা কালে মেঘনা নদীতে ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। সেই জব্দ কৃত অবৈধ কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে মতিরহাট লঞ্চ ঘাটে মেঘনা নদীর পাড়ে।
    মতিরহাট মেঘনা নদী হয়ে মজুচৌধুরীর হাটের দিকে ফিরে আসার পথে আরও তিনটি অবৈধ জাটকা নিধন কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। পরে জব্দ কৃত অবৈধ কারেন্ট জাল গুলোকে মজুচৌধুরীর হাট লঞ্চ ঘাটে মেঘনা নদীর পাড়ে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। রাত পৌনে ৯টার দিকে মোবাইল কোর্ট অভিযান শেষ মুহূর্তে সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী নিকট সাংবাদিকরা কোস্ট গার্ড পুলিশ কেন অভিযানে থাকে নি জানতে চাইলে মর্শ কর্মকর্তা বলেন,কোস্ট গার্ড পুলিশ কে অতিরিক্ত মোটা অংকের অর্থ দিতে হয়, না হলে তারা নদীতে আমাদের সঙ্গে জাটকা নিধন অবৈধ জাল জব্দ অভিযানে অংশ গ্রহণ করতে চায় না। যার ফলে তাদের কে আমরা সবসময় ব্যবহার করতে ব্যর্থ হই।এদিকে সাংবাদিকদের ঝুঁকির মধ্যে ফেলে ১ঘন্টা আগে চলে আসার সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি ১ঘন্টা আগে আসার কথা অস্বীকার করে নিজ মুখে বলেন, আমি এক ঘন্টা আগে চলে আসলে কি হবে, কিন্তু আমি আমার সহকারী স্টাফ কে প্রতি ৫-১০ মিনিট পর পরেই কল করে জানি আপনারা কতটুকু এসেছেন।
    আটক কৃত ২জেলে ও নৌকা কোথায়, কি করা হয়েছে, আবারও প্রশ্ন করে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি বলেন,তারা নিজেরাই ক্ষমা চেয়েছে, তাই তাদের ২জন ও নৌকা দিয়ে দেয়া হয়েছে।
    মর্শ কর্মকর্তা মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন,আমাদের জনবল সংকট থাকার কারণে ঝুঁকি নিয়ে দ্বায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে প্রতিটি মোবাইল কোর্ট অভিযানে।তাই বেশি সময় নদীতে থাকা সম্ভব হচ্ছে না। যতদ্রুত সম্ভব অভিযান শেষ করে ঘটনার স্থল থেকে চলে আসা হচ্ছে।তবে আমাদের এই অভিযান আগামী ৩০শে এপ্রিল পর্যন্ত চলমান থাকবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য কর্মকর্তা মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী।দেখা যাচ্ছে এক দিকে মৎস্য কর্মকর্তার অফিসে জনবল সংকট অন্য দিকে সরকারি অর্থের সংকটের কারণে অভিযান পরিচালনা করেও নেওয়া হচ্ছে না অবৈধ জাল নৌকা জব্দ করা ও জেলেদের বিরুদ্ধে সঠিক আইনি প্রক্রিয়া ব্যবস্থা।এদিকে জাটকা নিধন অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা নিয়ে কিছু জেলেদের আজ নানান প্রশ্ন উঠেছে মৎস্য কর্মকর্তা মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী এর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত অবৈধ জাটকা নিধন কারেন্ট জাল আটক কৃত কিছু জেলেদের অভিযোগ,মেঘনা নদীতে আরও অন্যান্য জেলেদের জাল থাকা নিয়ে কারোর কোনো মাথা ব্যাথা নেই।যারা চাল পায়, তাদের কে নদীতে দেখা যায় প্রতিনিয়ত।