লক্ষ্মীপুরে ফরিয়াদি ফাতেমা রাজিয়ার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মরন বৈষ্ণবের বিরুদ্ধে মামলা
ভিবি নিউজ ডেস্ক : লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উপশহর দালাল বাজার ইউনিয়নের পশ্চিম লক্ষ্মীপুর নিবাসী রেজিয়া বেগমের মেয়ে ফাতেমা রাজিয়া(৩৫) ২০ জানুয়ারি ২০২৫ ইং অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একই বাড়ির রাধা বিনোদ বৈষ্ণবের ছেলে মরন বৈষ্ণব
,মরন বৈষ্ণবের স্ত্রী বন্ধনা(৩৫) ও মরন বৈষ্ণব এর মা সন্ধ্যা রানী বৈষ্ণবের (৫৫)নামে ৪০৬/৪২০/৫০৬(২)দঃ বিঃ ধারায় মামলা রজু করেন। পরবর্তীতে আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে জেলা পুলিশের নিকট পাঠালে সেখান থেকে যাচাই-বাছাই এর জন্য ডিবির সহকারী পরিদর্শক মোঃ নুরুল আমিনের নিকট দায়িত্ব ভার অর্পন করা হয়।
অভিযোগ পত্রে ও মামলার বাদীনির বক্তব্য থেকে জানা যায় মামলার ১ নং স্বাক্ষী বাদীনির মা রেজিয়া বেগম (F, W,A) ফ্যামিলি প্ল্যানিং এ চাকুরী করিয়া অবসরে যাওয়ার পর ১৫১৬২৩৬ টাকা অবসর ভাতা গ্রহণ করে। উক্ত টাকা গুলো আসামী মরনের প্ররোচনায় মামলার বাদীনির মা লক্ষ্মীপুর পোস্ট অফিসে এককালিন জমা প্রদান করেন। পরবর্তীতে আসামী মরন বাদীনির মাকে ফুসলাইয়া পোস্ট অফিস থেকে উক্ত টাকা গুলো তুলিয়া অগ্রনী ব্যাংক দালাল বাজার শাখায় জমা দেয় বলিয়া বাদীনি অভিযোগ আনয়ন করেন। বাদীনি আরো উল্লেখ করেন বাদীনির মা-এর প্রতি বছরের অবসর ভাতা ১৮৫০০০ এক লক্ষ পঁচাশি হাজার টাকা মিডল্যান্ড ব্যাংক দালাল বাজার শাখায় জমা প্রদান করেন। আসামী মরন ১০ আগস্ট ২০১৫ ইং সন হইতে বর্তমান পর্যন্ত প্রতি মাসের অবসর ভাতা দুই ব্যাংকের হিসাব ও পোস্ট অফিসে থাকা টাকা বাদীনির মাকে ফুসলাইয়া আসামী মরন বৈষ্ণব উত্তোলন করিয়া বিভিন্ন ছলতাচুরি করিয়া হাতিয়ে নেয় বলিয়া মামলা দায়ের করে বাদীনি ফাতেমা রাজিয়া।
এদিকে আসামী মরন বৈষ্ণব আমাদের এপ্রতিবেদক কে বলেন বাদীনির মা রেজিয়া বেগম আমাকে নিজ হাতে চেক লিখিয়া সই করে দিতেন ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করার জন্য। আমি টাকা উঠিয়ে সরাসরি বাদীনির মা এর নিকট দিয়ে আসতাম। তিনি পেনশনের টাকা উত্তোলন করে আমার মেয়ের বিবাহের জন্য দুই লক্ষ টাকা দান করেছেন। এর বেশি আর কিছুই নয়।
এদিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সহকারী পুলিশ পরিদর্শক( ডিবি) মোঃ নুরুল আমিন ভিবি নিউজ কে জানান ব্যাংক স্টেটমেন্ট পর্যালোচনা করে জানা যায় বাদীনির মা রেজিয়া বেগম সর্ব সাকুল্যে আসামী মরন বৈষ্ণবের নিকট দুই লক্ষ ৭৬ হাজার টাকা পেতে পারে।






