জনগণের ভোগান্তি লাঘবে প্রতিশ্রুত বদ্ধ লক্ষ্মীপুর সদর ওসি আব্দুল মোন্নাফ
ভি বি রায় চৌধুরী –
লক্ষ্মীপুর সদর থানায় ফিরে এসেছে নতুন প্রাণ। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)মোঃ আব্দুল মোন্নাফ দায়িত্ব গ্রহণের পর থানার পরিবেশ ও সেবাদানে দৃশ্যমান পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
দায়িত্ব গ্রহণের পর লক্ষ্মীপুরে গত ডিসেম্বর মাসে সকল থানার অফিসার ইনচার্জদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তার পুরস্কার পেয়েছেন সদর থানার ওসি মোঃ আব্দুল মোন্নাফ। মাদক, অস্ত্র উদ্ধার ,ওয়ারেন্ট তামিলসহ আইন -শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার জন্য তাকে জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসাবে নির্বাচিত করা হয়েছে। ১৫ জানুয়ারি বুধবার অনুষ্ঠিত জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ সভায় শ্রেষ্ঠ ওসি হওয়ায় সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল মোন্নাফকে ক্রেষ্ট ও সনদ তুলে দিয়েছিলেন পুলিশ সুপার মো: আকতার হোসেন। সেই থেকে অদ্যবধি তিনি সরদ থানা এলাকায় আইন শৃঙ্খলা যথেষ্ট পরিবর্তন এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। থানার ভেতরে ও বাইরে সৃষ্টি হয়েছে সুশৃঙ্খল, সেবামুখী এবং নাগরিকবান্ধব পরিবেশ। আগত বিচার ও সেবা প্রার্থীরা এখন আরও স্বচ্ছন্দে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে পারছেন এবং পাচ্ছেন তাৎক্ষণিক সহযোগিতা।
সেবা গ্রহীতাদের ভাষ্যমতে জানা যায় , আগে থানায় যেতে দ্বিধা ও শঙ্কা কাজ করত; এখন সে চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে। পুলিশের ব্যবহার, সহানুভূতিশীল মনোভাব এবং দ্রুত সাড়া দেওয়ার সংস্কৃতি জনমানসে আস্থা ফিরিয়ে এনেছে। নারী, শিশু, প্রবীণসহ সকল শ্রেণির মানুষ এখন নিশ্চিন্তে থানায় যাচ্ছেন এবং কাঙ্ক্ষিত সেবা প্রাপ্তি হচ্ছে।
জানা যায় ওসি মোঃ আব্দুল মোন্নাফ লক্ষ্মীপুর থানায় যোগদানের পর থেকেই থানা এলাকায় চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি বা মুক্তিপণ আদায়ের মতো অপরাধ নেই বললেই চলে। নিয়মিত টহল, তথ্যভিত্তিক অভিযান এবং স্থানীয়দের সাথে সমন্বয় করে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিনি সক্ষম হয়েছে। ফলে রাত-বিরাতে চলাচলেও মানুষজন আগের চেয়ে অনেক বেশি স্বস্তি অনুভব করছেন।
ওসি নিয়মিত স্থানীয় মসজিদের ইমাম, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করছেন। এতে করে পুলিশের সঙ্গে জনগণের দূরত্ব কমেছে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে তথ্যপ্রবাহ সহজ হয়েছে এবং সামাজিক সম্প্রীতি গড়ে উঠেছে,
জানতে চাইলে তিনি বলেন,
লক্ষ্মীপুর থানা এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব। প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। আমরা একটি সেবামুখী ও অংশীদারিত্বভিত্তিক পুলিশিং চালিয়ে যেতে চাই, তিনি বলেন জনগণই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।”






