লক্ষ্মীপুরে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে ইয়াসিন
বিশেষ প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে নিজের ব্যক্তিগত দুর্ঘটনার আঘাত কে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে থানায় মিথ্যা অভিযোগ।এমন পাতানো অভিযোগে ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম স্বপনকে হয়রানির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতারক ইয়াসিন নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।এই ঘটনাটি ঘটে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উপশহর ৩ নং দালাল বাজার ইউনিয়নের মহাদেবপুর জামতলী এলাকায়। মামলা করার ঘটনা সাধারণত একটি আইনি কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে বলে ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম স্বপনের অভিযোগ। ভুক্তভোগী মিথ্যা অভিযোগের শিকার হন, মামলার বাদী ইয়াসিন প্রতিপক্ষ গণের আত্মীয়। তবে পুলিশের সহায়তায় আঘাতের ধরন ও সময়কাল (Timing of injury) বিশ্লেষণ করে চিকিৎসকরা প্রতিবেদন দেবেন।ভুক্তভোগী আরো বলেন, ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মানহানি, মিথ্যা মামলা বা হয়রানির অভিযোগে আদালতে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।ভুক্তভোগীদের স্বজনরা বলেন, সরজমিন ঘুরে এসে আমাদের এপ্রতিবেদক জানান পরিকল্পিতভাবে মারামারির ঘটনা মিথ্যা ও সাজানো বলে ভুক্তভুগীদের অভিযোগ।সোমবার ২৫ মে ২০২৬ইং তারিখ রোজ সোমবার ভোর ৬টা হইতে সন্ধ্যা ৬ টা পযর্ন্ত এই ধরণের কোনো মারামারি দেখা থাক দুরের কথা শো-র চিৎকারও শুনা যায় নাই।এলাকার স্থানীয় প্রতিবেশীরা বলেন, তবে আমরা জানি ইয়াসিন আগে কলেজে পড়া লেখা করতো, এখন আর পড়া লেখা করে না,সে বর্তমানে তার ভগ্নিপতির জায়গা দেখাশোনা করে। মোবাইল কোম্পানিতে চাকরি করেন তা আমাদের জানা নেই। তবে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগের ঘটনাস্থল লক্ষ্মীপুর দালাল বাজারের ৩ নং ইউনিয়নের মহাদেবপুর গ্রামের জামতলী এলাকার মুন্সিবাড়ির সামনে। থানায় অভিযোগকারী ইয়াসিন বলেন,আমাকে তারা পরিকল্পিতভাবে কয়েকজন লোক দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে যাতে করে আমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পরে আমি ত্রীপল নাইনে কল করিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আমাকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে পাঠান। পরে সেখান থেকে আমি লক্ষ্মীপুর সদর থানায় ওসির নিকট গিয়ে আমার সাথে ঘটে যাওয়ার ঘটনা বিস্তারিত জানিয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করি, অভিযোগে ঘটনার বিস্তারিত বলা হয়েছে।ওই অভিযোগের আলোকে আজ পুলিশ ঘটনাস্থলে এসেছে। এই বিষয়ে সাংবাদিকগণ প্রশ্ন করে জানতে চান আপনার শরীরে তো এখনো এক্সিডেন্ট হওয়া আঘাতের চিহ্ন দেখা যাচ্ছে। সাংবাদিকরা সত্য কথা বলাতে ইয়াসিন তেলে বেগুনে আগুন হয়ে সাংবাদিকদের উপর তেড়ে ওঠে এবং বলেন, আপনার সংবাদ করা লাগবে না, আমাদের সাংবাদিক আছে, আমার বন্ধু সার্কেলে অনেক সাংবাদিক আছে।আমি কল দিলে চলে আসবে। আপনার কত সংবাদ লাগবে এসব কথা বলে তিনি সাংবাদিকদের তার সত্য ঘটনা শিকার না করে তিনি বলেন, আমাকে তারা ফ্লোরে টানা হেসরা করছে, টানা হেচড়া ও আঘাতের চিহ্ন ছবি চাইলে ভিডিও ফুটেজ সাংবাদিকদের দেওয়ার কথা বলে তিনি যোগাযোগ নাম্বার নিয়ে আর যোগাযোগ করেননি যার ফলে প্রমাণ করে যে ভুক্তভোগীর বিরুদ্ধে ইয়াসিনের ব্যক্তিগত অ্যাক্সিডেন্টের ঘটনা তার ভগ্নিপতির বাড়ির জমি জমা সংক্রান্ত মামলার সাথে জড়িয়ে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে নিয়ে এইসব অকল্পিত পরিকল্পনা একমাত্র পেশা আর নেশা ইয়াসিনের। তথ্য নিলে ইয়াসিনের আচার ও আচরণের আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে।
ইয়াসিন সাংবাদিক দেরকে আমতা আমতা ভাষায় নরম কন্ঠে সত্য ঘটনা কে এড়িয়ে গিয়ে সাংবাদিক দের সামনে সত্য প্রকাশ করতে অনিহা প্রকাশ করেন। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকার স্থানীয়রা আতঙ্কে রয়েছে। একই সাথে দেখা যাচ্ছে মিথ্যে ঘটনার কারণে এলাকার স্থানীয় বিভিন্ন চায়ের দোকানগুলোতে ইয়াসিনের মিথ্যে সাজানো নাটকের সমালোচনার জোড়ার বয়ে চলছে।